1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
রাজনীতি?? -ইকবাল আহমেদ লিটন - Barta24TV.com
সকাল ১০:১৫, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজনীতি?? -ইকবাল আহমেদ লিটন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, জুলাই ৫, ২০২২
  • 235 Time View

রাজনীতিতে কখনো নিজের স্বার্থের জন্য আসিনি বা কোন পদ-পদবীর জন্যও না। মাধ্যমিকে যখন বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে পড়লাম সর্বশেষ একটা কথা লেখা ছিলো যে, এই ১,৪৫,৫৭০ বর্গকিলোমিটার যার সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত তার নাম সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার জীবনী পড়ে উৎসাহিত হই। চলে আসি ছাত্র রাজনীতিতে।

 

জীবনের যে সময়টা খেলাধুলা আর আনন্দ করার কথা ছিলো, তখন রাজপথে এসে স্লোগান তুলি জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলে। এতটুকু এসেছি, অনেক কিছু দেখেছি, শিখেছি কিন্তু কর্মীবান্ধব নেতা খুব কমই দেখেছি। আমার জীবনের ইচ্ছাগুলো কোন উঁচু আসনের ছিলো না। সবচেয়ে বড় বিষয় আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক এবং এর থেকে বড় পদ-পদবী বা পরিচয় আমার হয়তো আর দরকার নেই। যতদিন বেঁচে আছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করে যাবো -ইনশাআল্লাহ। তবুও এ কলম থামবেনা। আমার কলম থামিয়ে দেবার চেষ্টা আজও চলমান। কারা সেই রাজনীতির সেবক? যারা দলের প্রচার করাকে অপপ্রচার বলে রুখে দিতে চাই? রাজনীতির জয়গান যদি এমনটা হয়-

 

১. রাজনীতি মানে নীতির সাথে এগিয়ে যাওয়া।

২. রাজনীতি মানে মানুষের উপকার করা।

৩. রাজনীতি মানে কর্মীদের আপন করা।

৪. রাজনীতি মানে রাষ্ট্রের উন্নয়নশীল কর্মকান্ড সততার সাথে মানুষের মাঝে তুলে ধরা।

৫. রাজনীতি মানে নিজে যে দায়িত্ব পালন করি সেই দায়িত্বতে দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সঠিক সময় অন্যের কাছে হস্তান্তর করা।

৬. রাজনীতি মানে কর্মীর বিপদের কথা শুনলে নিজ দায়িত্বে ঝাঁপিয়ে পড়া।

৭. রাজনীতি মানে সংগঠনের উন্নয়ন করা এবং সমর্থন তৈরী করা।

৮. রাজনীতি মানে আরো অনেক কিছু ইত্যাদি

 

আমরা আজকে দেখব যারা রাজনীতির সাথে পলিটিক্স করেন তাদের বাস্তব রূপ কেমন হতে পারে?

 

১. পলিটিক্স মানে কি অন্যের জায়গা নিজের করে নেওয়া

২. পলিটিক্স মানে কি বহুরূপী হয়ে মঞ্চে কথা বলা?

৩. পলিটিক্স মানে কি কর্মীদের বিপদে ফেলে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করা?

৪. পলিটিক্স মানে কি দিনের বেলায় এক কথা আর রাতের বেলা অন্য কিছু করা?

৫. পলিটিক্স মানে কি নিজের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সহযোদ্ধাকে ঘায়েল করা এবং তার সমালোচনা করা?

৬. পলিটিক্স মানে কি কোন ধরনের কর্মীরা যদি ন্যায্য অধিকার কথা বলে তাকে ষড়যন্ত্র করে বিপদে ফেলা?

৭. পলিটিক্স মানে কি কর্মীকে ঘায়েল করার জন্য বহুমুখী কথা বলা এটা রাজনীতি শব্দের ছোট্ট একটা নমুনা ইত্যাদি আরও অনেক কিছু।

 

যাইহোক, রাজনীতি করতে এসেছি বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে আর মমতাময়ী নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল ষড়যন্ত্রকে উপক্ষে করে বলবো, বিশ্বাসঘাতক খুনি মোস্তাক একজন নয় আরও অনেকেই আছে। তারপরও বলবো, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।।

 

-লেখকঃ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা -ইকবাল আহমেদ লিটন, বর্তমানে ,সদস্য সচিব, আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগ৷

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।