


নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের সীমান্তসংলগ্ন সংগ্রামপুঞ্জি এলাকার বাসিন্দা ও সিলেট জেলা বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক স্টেলিন তারিয়াং—তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক ‘যুগান্তর’ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
সম্প্রতি একটি প্রতিবাদলিপি পাঠিয়ে তিনি এই প্রতিবাদ জানান।
প্রতিবাদলিপিতে স্টেলিন তারিয়াং উল্লেখ করেন, সম্প্রতি যুগান্তর পত্রিকায় তাকে সীমান্ত এলাকার চোরাচালানচক্র, সীমান্ত অপরাধ এবং জাফলং নদী থেকে অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত বলে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার রাজনৈতিক ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার এক গভীর ষড়যন্ত্র।
তিনি প্রতিবেদনে উল্লেখিত একটি তথ্যের ভুল সংশোধন করে বলেন, “প্রকাশিত প্রতিবেদনে নিরোলা থমসন (জমিদারনী)-কে আমার মা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা পুরোপুরি অসত্য। নিরোলা থমসন আমার মা নন, তিনি সম্পর্কে আমার ফুফু হন।”
নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি আরও বলেন, “আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সব অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট। এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমি বা আমার পরিবার কোনোকালেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলাম না। আমি এই বিভ্রান্তিকর ও অপতথ্যভিত্তিক সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার স্বার্থে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া এমন মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।”
এদিকে স্টেলিন তারিয়াংয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশিত এই সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। তাদের দাবি, স্টেলিন তারিয়াং একজন পরিচিত রাজনৈতিক কর্মী ও সমাজসেবী। তাকে কখনো কোনো ধরনের অবৈধ বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে দেখা যায়নি। বরং তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।