1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নায়েব মিজানুরের ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ! - Barta24TV.com

জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নায়েব মিজানুরের ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ!

Reporter Name
  • Update Time : Friday, September 11, 2026
  • 12 Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি,জামালপুরঃ

জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের ভূমি অফিসের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকতা (নায়েব) সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যসহ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সরকার নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন।

বাংলাদেশ সরকার ভূমির নামজারির ফি ১ হাজার ১৫০ টাকা নির্ধারণ করলেও তিনি সর্বনিম্ন ৫-৬ হাজার টাকা আদায় করে নেয়। আর অশিক্ষিত মানুষের কাগজপত্রে ত্রুটি না থাকলেও তিনি ভুল বুঝিয়ে ১০-২০ হাজার আদায় করছেন বলে এমন অভিযোগ অনেকের।

তিনি কেন্দুয়া ইউনিয়নে ভূমি অফিসে যোগদান করার পর থেকে জমির নামজারিতে ঘুষ-বাণিজ্য করে আসছেন। কাগজে সামান্য ভুল থাকলেও জমির মালিকদের কাছ থেকে নিজে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন। কেউ টাকা না দিলে তিনি কোনো কাজই করেন না এবং কাগজপত্র তালাবদ্ধ করে রেখে দেন। ভূমি উন্নয়ন কর গ্রহণে তিনি কয়েক গুণ টাকা নিয়ে থাকেন। এই ভূমি অফিসের চৌকাঠ পেরুলেই ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমানের নিজের করা আইন মানতে হয় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে। এতে করে বিব্রত হয়ে পড়েছে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ভূমি অফিসে নামজারি, জমিভাগ, খাজনা আদায়, জমির পর্চা (খসড়া) তোলাসহ সব কাজে সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করে অনৈতিকভাবে বাড়তি টাকা নিচ্ছেন তিনি। চুক্তির টাকা ছাড়া কোনো ফাইলই নড়ে না। তার দুর্নীতির কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন ব্যক্তি বলেন, সরাসরি জমির নামজারি করতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন। সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও তাদেরকে অনেক আগের মালিকদের ওয়ারিশ সনদ এনে দিতে বলা হয়, যার কারণে নামজারি করতে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। কিন্তু তাকে অবৈধ সুযোগ করে দিলে কোন কাগজের প্রয়োজন পড়ে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দুয়া ইউনিয়নে নারিকেলী এলাকার বাসিন্দা জানান, মোঃ মিজানুর রহমান (নায়েব) এর কাছে যে কোন কাজ নিয়ে গেলে তিনি সার্ভার নষ্ট এই ওযুহাতে মানুষকে হয়রানি করেন।

এসব প্রসঙ্গে সরজমিনে জানতে গিয়ে বিষয়গুলো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালে তিনি সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। যার কারনে সাংবাদিক এম.এ রফিক সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর গত ১৮ জুন ২০২৬ একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ তানভীর হায়দার বলেন সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার একটি অভিযোগ পেয়েছি দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুমী আক্তার বলেন খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category