1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
সুনামগঞ্জের ছাতক আমবাড়ি রোডে অতিরিক্ত যাত্রী ভাড়া এলাকাবাসীর উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা, - Barta24TV.com
সকাল ৭:১৬, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জের ছাতক আমবাড়ি রোডে অতিরিক্ত যাত্রী ভাড়া এলাকাবাসীর উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা,

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২
  • 267 Time View

ইয়াছিন আলী খান দোয়ারা বাজার সুনামগঞ্জ।

সুনামগঞ্জ ছাতক-আমবাড়ি সড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানির প্রতিবাদে এলাকারবাসীর এক সভা বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাউশা পয়েন্টে অনুষ্টিত হয়েছে। ছাতক- আমবাড়ি রোড যাত্রী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়।

ছাতক সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও যাত্রী কল্যাণ পরিষদের সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক ইয়াকুব আলীর পরিচালনায় অনুষ্টিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, ছাতক সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান, সাবেক ইউপি সদস্য শামিমুল ইসলাম,যাত্রী কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, সাবেক মেম্বার মখছুদুল হাসান আতর,সাবেক মেম্বার নুরুল হক, মাস্টার সোহেল আহমেদ, আব্দুল মজিদ প্রমুখ।

সভায় সিএনজি চালক কর্তৃক যাত্রী হয়রানির বিভিন্ন দিক তুলে বক্তব্য দেন বক্তারা। এ সময় বক্তারা বলেন ছাতক শিবটিলা থেকে বাঊশা পর্যন্ত ৩০ টাকা, প্রতাবপুর ৪০ টাকা ও দোহালিয়া ৬০ টাকা সিএনজি ভাড়া অ-যৌক্তিক। ছাতক থেকে প্রতাপপুর ছয় কিলোমিটার সড়কে ৪০ টাকা ভাড়া কোন অবস্থাতেই মেনে নেয়া যায় নি। ছাতকের অন্যান্য ছয় কিলোমিটার সড়কে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ১৮-২০ টাকা। এখানে অ-যৌক্তিকভাবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এ নিয়ে এলাকার যাত্রী সাধারনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ সড়কে অ-প্রাপ্ত বয়সের ছেলেরা গাড়ি চালাচ্ছে। এতে দুর্ঘটনার আশংকা ও রয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে ছাতক সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, দোহালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ সকলের সমন্বয়ে যাত্রী কল্যাণ পরিষদ এই রোডের আন্দারিগাঁও,বাউশা,প্রতাপপুর,বিয়ানিবাজার ও দোহালিয়া যাতায়াতকারি সিএনজি চালিত অটোরিকশার ভাড়া নির্ধারণ করবে। অন্যতায় সড়ক অবরোধ সহ আন্দোলন করা হবে। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন, হাফিজ সাদিকুর রহমান।

প্রতিবাদ সভায় ছাতক-আমবাড়ি রোড যাত্রী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মুজিবুর রহমান,সহ সভাপতি আব্দুল কাদির, সাবেক মেম্বার কাজী নানু মিয়া,ফারুক মিয়া তালুকদার, মাসুক মিয়া,সহ সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি সদস্য আলী হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সুহেল মিয়া,অর্থ সম্পাদক আল আমিন, প্রচার সম্পাদক আব্দুল আমিন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এইচ এম কামাল,আইন বিষয়ক সম্পাদক অঞ্জন কুমার দাস, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শফিকুর রহমান, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নানু মিয়া তালুকদার, সহ সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক ইছবর আলী খাঁ,সদস্য আবু খালেদ মেম্বার,কয়েছ মিয়া,রাসেল আহমদ, সুহেল মিয়া, সেলিম আহমদ।

স্থানীয় মাস্টার আলা উদ্দিন,আব্দুল জলিল, আব্দুল হাসিব,সাদিকুর রহমান, ফজল উদ্দিন,আলী আহমদ খাঁন, হারুন মিয়া,আবুল লেইছ,অনুকূল দাস,জুয়েল আহমদ, আমিরুল ইসলাম, আব্দুর রহিম, রফিক মিয়া,এহিয়া খাঁন,আব্দুল আলী,বশির আহমদ, আব্দুল আউয়াল, গিয়াস উদ্দিন,জয়নাল আবেদিন, জসীম উদ্দিন, আছদ মিয়া, আনা মিয়া, নাসির উদ্দিন, মিজানূর রহমান,আজিজুর রহমান, মাজহারুল নাজিম সহ এলাকার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।