


মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা সহ-সভাপতি ও শিবালয় উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম খানের মালিকানাধীন রুমী ফিলিং স্টেশনের নামে ফতুল্লার মেঘনা ডিপো থেকে আনা সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল এবং ৯ হাজার লিটার ডিজেল এর মধ্যে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল চোরাই পথে অন্যত্র বিক্রির অভিযোগে পাম্প ম্যানেজার সহ কে আটক করেছে প্রশাসন।
আজ দুপুরে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিষা রানী কর্মকার ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে রুমী ফিলিং অ্যান্ড সিএনজি স্টেশনের ম্যানেজার এসএম বাবুল হোসেন (৫০) এবং ডিজেল ডিলার মামুন প্রধানকে (৪২) অভিযুক্তদের আটক করে থানায় সোপর্দ করেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) মানিকগঞ্জ জেলা কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে পেরে অভিযান চালান। এ সময় পেট্রোল পরিবহনে ব্যবহৃত একটি লরি জব্দ করা হয় এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়।
জানা গেছে, রুমী ফিলিং স্টেশনের নামে বুধবার রাতে ফতুল্লার মেঘনা ডিপো থেকে সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল এবং ৯ হাজার লিটার ডিজেল আনা হয়। তবে পেট্রোল স্টেশনে না নামিয়ে তা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।অভিযোগ রয়েছে, পেট্রোলবাহী লরি (ঢাকা মেট্রো-চ ৪১-০০৩৫) থেকে জ্বালানি টেপড়াস্থ উপজেলা নির্বাহী অফিসের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত যমুনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ডিলার মামুন এন্টারপ্রাইজের দোকানে খালাস করা হয়।
পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পান ইউএনও মনিষা রানী কর্মকার এবং সংশ্লিষ্টদের আটক করেন।
ইউএনও জানান, জব্দকৃত পেট্রোল নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। পাশাপাশি পেট্রোলবাহী লরিটি জব্দের প্রক্রিয়াও গ্রহণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
শিবালয়ে মহাদেবপুর রুমি ফিলিং এন্ড স্টেশন পাম্প হতে সারে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল তেল টেপরা মেসার্স মামুন এন্টারপ্রাইজ এ চোরাচালানের অভিযোগ, লরি জব্দ, বাইক চালক ও পরিবহন চালকরা সিন্ডিকেটের নেপথ্যে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক বিচারের দাবি করেন।