1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
সিলেট ও ছাতক নৌপথে বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও টোল আদায়ের অভিযোগ বিলালগংদের বিরুদ্ধে - Barta24TV.com

সিলেট ও ছাতক নৌপথে বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও টোল আদায়ের অভিযোগ বিলালগংদের বিরুদ্ধে

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, August 22, 2026
  • 9 Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি,সিলেটঃ

সিলেট ও সুনামগঞ্জের ছাতক অঞ্চলের নৌপথে অবৈধ টোল আদায়, চাঁদাবাজি এবং শ্রমিক হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়ে নৌ পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন।​সংগঠনটির গোয়াইনঘাট-সিলেট ও ছাতক নদীবন্দর শাখার সভাপতি মোঃ আজমল হোসেন স্বাক্ষরিত এক স্মারকলিপিতে এই অভিযোগ জানানো হয়।

​অনুমোদনহীন অর্থ আদায়: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BIWTA) ও ছাতক পৌরসভার কথিত ইজারাদারদের নামে সালুটিকর (গোয়াইন নদী) ও ছাতক (সুরমা নদী) রুটে চলাচলকারী বাল্কহেড ও নৌযান থেকে দুই থেকে তিন দফায় অতিরিক্ত ট্যাক্স বা টোল আদায় করা হচ্ছে।এসব এর নেতৃত্বে বিলাল রয়েছে তার সাথে রয়েছে কামরুল ও খলিল। নৌযান শ্রমিকরা নির্যাতনের শিকার এবং বিলাল গং চাঁদাবাজি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

​প্রশাসনের নাম ব্যবহারের অভিযোগ: গোয়াইনঘাট এলাকায় প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে প্রতি নৌযান থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত বেআইনি চাঁদা দাবির অভিযোগ করা হয়েছে।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, ​চাঁদা বা অতিরিক্ত টোল দিতে অস্বীকৃতি জানালে নৌ-শ্রমিকদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

​নকল রশিদ ব্যবহার করে, মেসার্স লাকী এন্টারপ্রাইজ নামক ইজারাদারের নামে ইউনিয়ন উন্নয়ন ট্যাক্স আদায়ের রশিদের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে।

নৌ-শ্রমিক নেতারা জানান, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বৈধ টোল ও রাজস্ব পরিশোধ করতে তারা সম্পূর্ণ ইচ্ছুক। তবে অবৈধ চাঁদাবাজির কারণে নৌপথে পণ্য পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে বাল্কহেড মালিক ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

​পূর্বে স্মারকলিপি প্রদান, সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন ও সমাবেশ করেও কোনো কার্যকর প্রতিকার মেলেনি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযুক্ত ব্যাক্তি ‘র মোঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাদের বক্তবক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে (Stakeholders) নিয়ে সমন্বয় সভা আহ্বান করে এই চাঁদাবাজি ও শ্রমিক হয়রানি স্থায়ীভাবে বন্ধে জরুরী প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী শ্রমিকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category