


নিজস্ব সংবাদদাত:
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার ৩ নং তারাটি ইউনিয়নের খামার বাজার শসা গ্রামে ইউপি সদস্য মোঃ সোহাগ মিয়া গং দের অত্যাচারে বিপর্যস্ত বিশ্বজিৎ চন্দ্র দাস নিমাই। অনুসন্ধানে জানা যায় ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানাধীন তিন নং তারাটি ইউনিয়নের অন্তর্গত শসা গ্রামে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। তিনি থানায় অভিযোগ করেন বিগত ২৫ /০৭ /২০২৬তারিখ বিকাল আনুমানিক পাঁচটা তিরিশ মিনিটে একটি সালীশ দরবার অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ভুয়া বিচারে বিশ্বজিৎ চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে ভুয়া রায় ঘোষিত হয়। সালিশে তাকে মারধর করে ৩০০ টাকার ব্লাঙ্ক স্ট্যাম্পে সাইন নেওয়া হয়। তাকে বলা হয় এলাকা ও জমি বাড়িছেড়ে চলে যেতে। ভয় পেয়ে বিশ্বজিৎ চন্দ্র দাস নিমাই ময়মনসিংহ শহরের বোনের বাসায় চলে যায়। বিগত ২৭-৭-২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক দুইটা ৩০ মিনিটে কিছু লোক বিশ্বজিৎ চন্দ্র দাস নিমাইয়ের বাড়ির গুদাম ঘরে ভাঙচুর করে ও অগ্নিসংযোগ করে। তারা ঘরটিতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে। এতে আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়। লিখিত অভিযোগের আসামিরা হচ্ছে মনজুরুল ইসলাম ,মফিজ উদ্দিন, দীপক চন্দ্র দাস, অজিত চন্দ্র দাস, বিল হাদ হোসেন, খোকন চন্দ্র দে, রতন চন্দ্র আচার্য, বিপুল চন্দ্র দাস, ইউপি সদস্য মোঃ সোহাগ মিয়া, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন আরো অজ্ঞাত অনেকে। অভিযোগ দায়ের করিতে অভিজিৎ মুক্তাগাছা থানায় যায়। তদন্তের কথা বলে আমলযোগ্য অপরাধ সত্ত্বেও অজ্ঞাত কারণে মামলাটি এফ আই আর করা হয়নি। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা মুক্তাগাছা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব ইন্সপেক্টর আয়াতুল্লাহ আলি। ওসি মুক্তাগাছাকে ফোন করা হলে তিনি জানান তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে , দূষীকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।