1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
রাজবাড়ীতে দুই অপ-সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের সংবাদ সম্মেলন - Barta24TV.com
সকাল ৭:৩২, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়ীতে দুই অপ-সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, জুন ৬, ২০২২
  • 301 Time View

বিপ্লব কুমার বিশ্বাস, রাজবাড়ী সদর প্রতিনিধি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সহ বিভিন্ন অনলাইন ও একটি দৈনিক পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ ও হয়রানি এবং সম্মানহানির লক্ষ্যে মিথ্যা তথ্যে মানববন্ধন করে সংবাদ প্রকাশ করায় অপ-সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ, মিঠুন গোস্বামী এবং মামুন নামের এক প্রতারকের বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে রবিবার (০৫ জুন) রাজবাড়ীতে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাংবাদিক রাফি। রাফি জাতীয় দৈনিক আজকের দর্পন, সংবাদ সারাবেলা ও ইংরেজি দি ডেইলি ট্রাইবুনালে প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছে।

দালাল সাংবাদিককে পয়সা দিয়ে বানোয়াট মানববন্ধন ও মিত্যা সংবাদ প্রকাশ করেও কোনো লাভ হবেনা। রাকিবুল ইসলাম রাফি তার সহকর্মী ও জেলার অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ সহ তার অনুসারীদের উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই বুঝিয়েছেন। সেই সংবাদ সম্মেলনে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকরা আমন্ত্রিত হয়ে অংশ নেন।

রাজবাড়ী নতুন বাজারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক রাফি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, মফস্বল সাংবাদিকতার শুরু থেকে আমি অনুসন্ধান ও জনকল্যাণমুখী প্রতিবেদন করি। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ ও ২৯ মে আমি পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে অবস্থিত আহম্মদ আলী মেমোরিয়াল অরফ্যান্স ডিসএবল স্কুল এন্ড কলেজ নামের একটি বেসরকারি প্রতিবন্ধী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এর প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োজিত মামুন নামের ব্যক্তির নানা প্রকার প্রতারণা নিয়ে জাতীয় দৈনিক আজকের দর্পন পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করি। ঠিক তার পরদিন প্রতারক মামুন আবুল কালাম আজাদ ও মিঠুন গোস্বামী নামের দুই অপ-সাংবাদিকের মাধ্যমে আমার সম্মানহানির লক্ষ্যে আমাকে নিয়ে একটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে। সেই সাথে গত ০২ জুন কালাম ও মিঠুনের মদদে প্রতারক মামুন তার পরিবারের সদস্য ও স্কুলের কয়েকজন শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক নিয়ে একটি মানববন্ধন করে। যেখানে স্থানীয় কোনো সম্মানিত বা সচেতন ব্যক্তির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। কেননা স্থানীয় সচেতন মহল প্রতারক মামুনের প্রতারণার বিষয়ে সবসময় সজাগ ছিল। স্কুল কেন্দ্রীক আমাকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদে ছিলনা আমার কোনো প্রকার মন্তব্য কিংবা বক্তব্য। যা প্রতারক মামুনের মনগড়া গল্পের উপর ভিত্তি করে নিজেদের ব্যক্তি স্বার্থ হাচিলের লক্ষ্যে প্রচার করে কালাম ও মিঠুন নামের দুই অপ-সাংপবাদিক। গত ০২ জুনের মানববন্ধনের সংবাদে মিঠুন ও কালাম উল্লেখ করে সুমি নামের কারও কাছ থেকে আমি চার লক্ষ টাকা নিয়েছি নিয়োগের কথা বলে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। উক্ত মানববন্ধনে কালাম মিঠুন ব্যতীত উপস্থিত ছিলনা ৩য় কোনো সাংবাদিক। কারণ সবাই মামুনের প্রতারণার ব্যাপারে অবগত। আল মামুন সিদ্দিকী নামের ওই প্রতারকের নানা প্রকার প্রতারণা নিয়ে ইতোপূর্বে একাধিক সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলেও প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তাছাড়া ইতোপূর্বে শিবির নেতা কালাম ও মিঠুন আমার সম্মানহানির লক্ষ্যে শিবির নেতা কালামের মাছপাড়া ইউনিয়নের সোর্স অর্থের বিনিময়ে মানবাধিকার কর্মী হিসদবে নিয়োগ দেওয়া মাদকসেবি ইদ্রিস আলী নামের ব্যক্তিকে দিয়ে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছি এই মর্মে রাজবাড়ী আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করায়। মামলাটিতে বাদি কোনোপ্রকার প্রমাণ উপস্থাপন না করতে পারা এবং বাদির আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আদালত আমাকে স্থায়ী জামিন প্রদস্ন করেন গত ০৬ এপ্রিল তারিখে। পরবর্তীতে আমি জানতে পারি ইদ্রিস নামের ওই ব্যক্তি একজন মাদকসেবি এবং তার কোনো প্রকার পাসপোর্ট কোনোদিন ছিলনা বা করেন নাই। মিঠুন কালাম তাকে ব্যবহার করে আমাকে হয়রানির চেষ্টা করেছিল। সুতরাং মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে আমাকে হয়রানি ও আমার সম্মানহানির লক্ষ্যে শিবির নেতা অপ-সাংবাদিক, মিঠুন গোস্বামী এবং প্রতারক মামুনের এই সকল কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

রাজবাড়ী জেলা প্রেসক্লাব, পাংশা, কালুখালি, গোয়ালন্দ ও বালিয়াকান্দি প্রেস ক্লাব, রাজবাড়ী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংবাদিকরা এক যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, সাংবাদিকরা কোনো ধরনের অসৎ উদ্দেশ্যে এই সংবাদ সম্মেলন কাভার করেনি। গণতান্ত্রিক সমাজে যে কেউ বা ক্ষতিগ্রস্ত যেকোনো পক্ষ সংবাদ সম্মেলন ডাকার ও মতামত প্রকাশের অধিকার রাখে এবং যেকোনো সংবাদ সম্মেলনের সংবাদ পরিবেশন করা একজন সাংবাদিকের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। যারা অপ-সাংবাদিকতায় লিপ্ত তাদেরকে সংবাদকর্মীদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।