1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
নরুন্দিতে পোস্ট অফিস ও যক্ষা নিরাময় কেন্দ্র এখন পানির তলে। এবং ভবন এর বেহাল অবস্থা - Barta24TV.com
সকাল ৮:৩৬, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নরুন্দিতে পোস্ট অফিস ও যক্ষা নিরাময় কেন্দ্র এখন পানির তলে। এবং ভবন এর বেহাল অবস্থা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, জুন ৭, ২০২২
  • 284 Time View

রাসেল রানা জামালপুর
পূর্ব জামালপুর অবস্থিত ৬ নং ইউনিয়ন পরিষদ । বাংলাদেশের সকল উপজেলায়। উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলে ও নরুন্দি ইউনিয়ন এর উন্নয়নের ছোঁয়া লাগতেছে না। নরুন্দি ইউনিয়নতে ;সরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ভবন গুলোর।

সেই পুরাতন ভবনগুলো রয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে অনেক ভবনে ফাটল। যা যে কোন সময় হতে পারে মারাত্মক ধরনের দুর্ঘটনা।
তার মাঝে রয়েছে
নরুন্দি ইউনিয়ন পরিষদ ভবন।
সাব পোস্ট অফিস ভবন।
যক্ষা নিরাময় কেন্দ্র
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
নরুন্দি তদন্ত কেন্দ্র

আজ সকাল রোজ মঙ্গলবার ৯ টার সময় সরেজমিন এ পরিদর্শন করে দেখা যায় যে
নরুন্দি পোস্ট অফিস ও যক্ষা নিরাময় কেন্দ্র।
বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে । যেখানে প্রতিনিয়ত । হাজারো মানুষের সেবা নিতে আসে । গত দুই তিন দিন যাবত। বৃষ্টির পানি প্রবেশ করাতে। সাধারণ মানুষ কোন সেবা নিতে পারতেছে না। এতে সাধারণ মানুষ এর দুর্ভোগ পোহাচ্ছে অনেক।।
দায়িত্বরত পোস্ট মাস্টার সাথে কথা বলে জানা যায়। বিষয়টি তারা উপর মহলে জানালেও। তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কোন আমলে নিচ্ছে না।
পোস্টমাস্টার আরো বলেন। পানিতে বসে অফিস করা যায়। তবুও করতেছি।

পাশেই যক্ষা নিরাময় কেন্দ্র ডাক্তারের সাথে কথা বলে জানা যায়। তারাও এই বিষয়টি বারবার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের পানির বিষয়টি ও কানে দিয়েছেন। কিন্তু তার কোন ফল পাচ্ছি না আমরা।
বিশেষ করে ল্যাবের ভিতরে পানি ঢুকে পড়ায়। আমরা কোন কফ পরীক্ষা করতে পারতেছি না।।
এতে যেমন রোগীদের কষ্ট হচ্ছে। তেমনি আমরাও কষ্ট আছি। অফিসে বসে পারতেছি না।।

নরুন্দি ইউনিয়নে এখনো অধিকাংশ রাস্তায় কাঁচা রয়ে গেছে। যা বৃষ্টির সময় এত কাদার সৃষ্টি হয়। কোন প্রকার যানবাহন তো দূরের কথা। সাধারন কোন মানুষ চলাচল করতে পারে না।
জনসাধারণের মানুষের মনের কথা হলো। সকল জেলা উপজেলা ইউনিয়ন পর্যায়েএতো রাস্তা ঘাট পাকা করন হচ্ছে।নরুন্দিতে হচ্ছে না কেনো। তাহলে কি নরুন্দি কি অবহেলিতো থেকে যাবে।
নরুন্দির আশে পাশের সকল ইউনিয়ন বাসির সাধারণ মানুষের প্রাণের দাবি
ছিল। নরুন্দিকে থানা+ উপজেলা ঘোষনা করা হোক।
সকল সরকারি দলগুলোই নরুন্দি বাসীকে আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আদৌ কি হবে নরুন্দি থানা বা উপজেলা।

এই প্রশ্ন সাধারন মানুষের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে

নরুন্দির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ব্রহ্মপুত্র নদ। নদীর উপারে বসবাস করে কয়ে লাক্ষ মানুষ। যাদের চলা চল এর এক মাএ মাধ্যম হলো নৌপথ।
নৌকা দিয়ে সকল প্রকার মালা মাল আনা নেওয়া করতে হয়।যেমন কাচা সবজি / ধান /পাট/ গম সকল প্রকার কৃষি পন্য ;যা নরুন্দি বাজারে বিক্রি করে।একটি ব্রীজ হলে কষ্ট গুলো লাগব হবে।উপারের মানুষ এর।

এই নদীর উপর একটি ব্রিজ তৈরি করার কথা বললে সরকারি দল গুলো বারবার আশ্বাস দিয়ে গেছে। এই ব্রিজ টি হলে যেমন। ২ পারের মানুষ এর চলাচল এর সুবিধা। পাশাপাশি শেরপুর /নকলা নালিতাবাড়ি / হয়ে ভারত যাওয়ার এবং সকল প্রকার মালামাল আনা নেওয়া। সুবিধা হতো।এতে করে দেশের এবং সকল মানুষে জীবন যাএার মান উন্নত হতো।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।