1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
নবাগত পুলিশ সুপারকে ফুলের শুভেচ্ছা জানালেন নড়াইল এন,পি,এস। - Barta24TV.com
সকাল ৬:৫৬, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নবাগত পুলিশ সুপারকে ফুলের শুভেচ্ছা জানালেন নড়াইল এন,পি,এস।

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২
  • 246 Time View

এস এম মিলন স্টাফ রিপোর্টার

বাল্যবিবাহ, নারী নির্যাতন, মাদক, লাইসেন্স বিহিন গাড়ি চালান, ধর্ষণ, মিথ্যা মামলা, অধিকার বঞ্চিত, অবাধ্য ভূমি দখলদার নারী নির্যাতন প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়েছেন নবাগত পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুন।

সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে নড়াইল জেলার ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা (এন,পি,এস) এর সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় কালে এ আহ্বান জানান তিনি। এর আগে নবাগত পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুনে ফুলের শুভেচ্ছা জানান ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংগঠন (এন,পি,এস) এর সদস্যবৃন্দ।

এ সময়ে পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে (এন,পি,এস) সভাপতি,এস এম মিলন, নড়াইল পুলিশ সুপারের কাছে সব ধরনের সহযোগিতা কামনা কোরে বলেন, সমাজে নারী নির্যাতন, অধিকার বঞ্চিতদের সেবাসহ মানুষের কল্যাণের জন্য সকল মানবাধিকার সদস্য কাজ করে যাবে এতে কোন ধরনের বাধা আসলে প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেন।

পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুন বলেন, আপনারা মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। যারা সেবন করে, তাদের ফিরিয়ে নিয়ে আসেন আর যারা ব্যবসায়ী তাদের স্থান জেলখানায়। মাদকসেবীদেরও ফিরিয়ে আনা হয়তো একদিনেই সম্ভব নয়, তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করে যান। অধিকার বঞ্চিতদের পাশে সরকার সবসময়ই আছে থাকবে মানবাধিকার সংগঠন গুলি সবসময়ই সঠিক কাজ করে থাকে। আসা করি আপনাদের ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি’র (এন,পি,এস) গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংগঠন নড়াইল জেলার জন্য সঠিক কাজ করে জনগন ও সরকারের সুনাম ধরে রাখবে। কেউ কোন প্রকার দূর্নীতির আশ্রয় নিবেন না , জনগনের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করুন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নড়াইল জেলা সভাপতি এস,এম মিলন, সাধারণ সম্পাদক কাজী মোস্তফা কামাল, লোহাগড়া উপজেলার সভাপতি মোঃ মোজাম খা, নড়াইল জেলা যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা খাতুন, মোঃ খোকন, এস,এম, মিন্টু,বুলবুল আজাদ, কিশোর মিত্রসহ সংগঠনের অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।