1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
খাল খনন প্রকল্পের জন্য সৃষ্ট সাময়িক জলাবদ্ধতা নিরসনে পদক্ষেপ নিলেন মেয়র ডা. শাহাদাত - Barta24TV.com
সকাল ৯:০৮, বুধবার, ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাল খনন প্রকল্পের জন্য সৃষ্ট সাময়িক জলাবদ্ধতা নিরসনে পদক্ষেপ নিলেন মেয়র ডা. শাহাদাত

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮, ২০২৬
  • 10 Time View

মোহাম্মদ আনিছুর রহমান ফরহাদ, ব্যুরো চীফ,চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রাম নগরীতে ভারী বর্ষণে যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলো পরিদর্শন করে জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম তদারকি করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
মঙ্গলবার সকাল থেকে মেয়র মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ, প্রবর্তক মোড়, জামালখানসহ নগরীর বিভিন্ন জলাবদ্ধতা-প্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সরেজমিনে পানি জমে থাকা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের ভোগান্তির বিষয়টি শোনেন।পরিদর্শনকালে হিজরা খাল, জামালখান খাল এবং মুরাদপুর বক্স কালভার্ট এলাকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) তত্ত্বাবধানে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেডের চলমান জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের জন্য নির্মিত অস্থায়ী বাধের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনে বাধ অপসারণ এবং দ্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ করার বিষয়ে মেয়র সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

পরিদর্শনে দেখা যায়, প্রবর্তক মোড়ের হিজরা খাল সংস্কার কাজের কারণে প্রবর্তক মোড়, কাতালগঞ্জ ও চকবাজার এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। একইভাবে জামালখান খাল সংস্কার কাজের ফলে দিদার মার্কেট, সাবএরিয়া ও তিনপুলের মাথা এলাকায় পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। এছাড়া মুরাদপুর বক্স কালভার্ট নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় মুরাদপুর ও বহদ্দারহাট এলাকায়ও জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) অধীনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড এসব খাল সংস্কার ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছে। কাজ চলমান থাকায় সাময়িকভাবে পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে এবং কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।এদিকে খাল সংস্কার কাজের সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থানে খাল ও নালা খননের জন্য অস্থায়ী বাধ দেওয়া হয়েছিল। তবে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি বিবেচনায় সেনাবাহিনীর ৩৪ ব্রিগেডের সঙ্গে আলোচনা করে এসব অস্থায়ী বাধ অপসারণ করা হয়। বাধ অপসারণের পর অনেক এলাকায় জমে থাকা পানি বিকেলের মধ্যে দ্রুত নেমে যেতে থাকে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করে মেয়র বলেন, তিনি আগ্রাবাদ, শেখ মুজিব রোড, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, চকবাজার, প্রবর্তক, মেডিকেল এলাকা, বাকলিয়া এক্সেস রোড, দক্ষিণ বাকলিয়া, রাহাত্তারপুল ও পশ্চিম বাকলিয়া এলাকা পরিদর্শন করেছেন। যেসব এলাকায় কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে তেমন জলাবদ্ধতা হয়নি বলে তিনি জানান।তিনি বলেন হিজরা খাল, জামালখান খাল এবং মুরাদপুর বক্স কালভার্ট—এই তিনটি প্রকল্পে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ ও খাল সংস্কারের কাজ চলমান থাকায় বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী বাধ দিতে হয়েছে। এ কারণে পানি প্রবাহ কিছুটা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।মেয়র আরও বলেন
আমরা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করছি। গত দুই মাসে একাধিক সমন্বয় সভা হয়েছে এবং সর্বশেষ সভায় আগামী ১৫ মে’র মধ্যে হিজরা খাল, জামালখান খাল ও মুরাদপুর বক্স কালভার্টের কাজ শেষ করার কথা জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন,প্রকল্পটি আগামী ১৫ মে’র মধ্যে শেষ হলে বর্ষা মৌসুমে নগরীর জলাবদ্ধতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে। গত বর্ষার মতো এবারও জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম নগরী উপহার দিতে পারব বলে আমরা আশাবাদী।মেয়র সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেন, যাতে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে স্বস্তি দেওয়া যায়।পরিদর্শনকালে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রকৌশল বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category