1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন - Barta24TV.com
দুপুর ১:৪৭, বৃহস্পতিবার, ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬
  • 17 Time View

মোহাম্মদ আনিছুর রহমান ফরহাদ, ব্যুরো চীফ, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম নগরীতে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে ৪১টি ওয়ার্ডজুড়ে চলমান নালা-নর্দমা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক বিশেষ ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ তদারকি করতে পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
বুধবার এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ডে অক্সিজেন মোড় থেকে আলপনা ক্লাব পর্যন্ত, ৩নং পাঁচলাইশ ওয়ার্ডে রৌফাবাদ সড়কের পূর্ব পাশ থেকে আতুরার ডিপো পর্যন্ত এবং ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে বিবিরহাট গরু বাজার থেকে আতুরার ডিপো পর্যন্ত এলাকায় নালা-নর্দমা পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে একযোগে সবগুলো ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সরেজমিনে উপস্থিত থেকে চলমান পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি বিভিন্ন স্থানে কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন এবং নিজ হাতে নালা থেকে ময়লা উত্তোলনের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মোঃ শরফুল ইসলাম মাহি এবং মেয়রের একান্ত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরী।

এ সময় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চসিকসহ বর্তমানে চারটি সংস্থা জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে আমরা সবগুলো সংশ্লিষ্ট সংস্থার সাথে বসেছি। গত বছর খাল-নালা পরিষ্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ জলাবদ্ধতা কমানো সম্ভব হয়েছিল। এ বছর সংশ্লিষ্ট সকল সেবা সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ নিশ্চিত করে জলাবদ্ধতা ৭০ থেকে ৮০ শতাংশে নামিয়ে আনতে কাজ করছি আমরা।নগরীতে প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার ড্রেন এবং অসংখ্য খাল রয়েছে। এগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমি নিজে প্রতিদিন ৩টি করে ওয়ার্ড পরিদর্শন করে নালার মাটি উত্তোলন কার্যক্রম তদারকি করছি। এছাড়া, চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের ওয়ার্ড পর্যায়ে তদারকি করার এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে এমন কাজ করলে ম্যাজিস্ট্রেটদের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বর্ষার আগে প্রতিটি এলাকায় ভাঙা বা অনুপস্থিত স্ল্যাব ও ম্যানহোলের ঢাকনার তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত মেরামত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বড় নালা ও খালের পাশে যেখানে সুরক্ষা দেয়াল নেই, সেখানে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে বাঁশ বা অন্যান্য উপকরণ দিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণ করা হবে। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নয়, নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এ সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, নগরীর নালা-খালে ময়লা ফেলার অভ্যাস বন্ধ না হলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সমস্যা আরও তীব্র হবে। তাই নাগরিকদের সচেতন হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। মেয়র নালা-খালে ময়লা ফেলা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংকুচিত করা এবং অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোনোভাবেই পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতে দেওয়া হবে না।
চসিক সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমিয়ে নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে। পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে, যাতে খাল ও নালা নিয়মিত পরিষ্কার রেখে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category