1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
সীমান্ত প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন সভাপতি পক্ষী সাধারণ সম্পাদক রিপন সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল - Barta24TV.com
সকাল ৭:১৫, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সীমান্ত প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন সভাপতি পক্ষী সাধারণ সম্পাদক রিপন সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, আগস্ট ১৪, ২০২২
  • 114 Time View

কামাল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি খুলনাঃ দীর্ঘ দুই বছর পরে সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোলের পুরাতন কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। পেছনের ভূলত্রুটি সংশোধন এবং বর্তমান সময়ের হাত ধরে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে কমিটিকে ঢেলে সাজানো হয়েছে বলে জানান শীর্ষ পদাধিকারী সংবাদকর্মীরা। নতুন এই কমিটির মেয়াদ আগামী এক বছরের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়। নতুন ও বর্তমান কমিটিতে সভাপতি মনোনীত করা হয়েছে পুরাতন কমিটিতে থাকা সাধারণ সম্পাদক আয়ুব হোসেন পক্ষীকে। সেই সাথে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আসাদুজ্জামান রিপন। কমিটিতে নতুন চমক নিয়ে প্রচার সম্পাদক পদ থেকে সাংগঠনিক সম্পাদক মো: রাসেল ইসলামকে দায়ভার প্রদান করা হয়েছে।

আগামী এক বছরের জন্য (২০২২-২০২৩) মেয়াদে সীমান্ত প্রেসক্লাবের ৪০ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।

কার্যনির্বাহী কমিটির অন্য পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন সহ-সভাপতি মোঃ মনির হোসেন ও মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক তামিম হোসেন সবুজ ও মোঃ জাকির হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোশারেফ হোসেন মনা, অর্থ সম্পাদক মোঃ সাইদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম সেন্টু, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ মুক্তার হোসেন, প্রচার সম্পাদক মোঃ লোকমান হোসেন রাসেল, সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ সাগর হোসেন আকাশ, আইন বিষয়ক সম্পাদক শেখ মইনুদ্দিন, বন্দর বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আমিনুর রহমান তুহিন, সহ-বন্দর বিষয়ক সম্পাদক মো. মিলন কবীর, কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রানা আহমেদ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আমজাদ হোসেন টিটো, সহ-ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. খসরুনোমান সংগ্রাম, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মো. কাজু তুহিন, সহ-তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মো. শামীম হোসেন নয়ন, প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. জিল্লুর রহমান, সহ-প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. এবিএস রনি, কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন।

কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন, মো. জসিম উদ্দীন, মো. মেহেদী হাসান ইমরান, মো. কামাল হোসেন, মো. ইমরান সর্দার, মো. ইকবাল হোসেন রাসেল, মো. শাফায়েত মোল্লা সবুজ ও সাধারণ সদস্য মো. মাসুদ রানা, মো. ফরহাদ বিশ্বাস, মাহমুদ হাসান তাইজেল, মো. শাওন হোসেন, মো. আশরাফুল ইসলাম, মো. মিজানুর রহমান, মো. ফজলুর রহমান, মো. শামিম হোসেন, মো. আ. আলিম, মো. সংগ্রাম হোসেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।