1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
সিএসসি,আরসিপিএসসি নবনির্বাচিত স্কোয়াডের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক ও ফুলের শুভেচ্ছা - Barta24TV.com
সকাল ৯:১০, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিএসসি,আরসিপিএসসি নবনির্বাচিত স্কোয়াডের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক ও ফুলের শুভেচ্ছা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, আগস্ট ৮, ২০২৩
  • 408 Time View
বিনিজস্ব প্রতিবেদক :

বিসিএসসি,সিপিএসসি রামু এর সদ্যঘোষিত নবনির্বাচিত স্কোয়াড এর পক্ষ থেকে সাবেক চীফ স্কোয়াড কমান্ডার মোহাম্মদ ইয়াসিন সিকদার এবং বিসিএসসি পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব আবদুস সালাম মহোদয় কে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।এবং ফুলের তুড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। রামু ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের সাবেক চীফ স্কোয়াড কমান্ডার মোহাম্মদ ইয়াসিন সিকদার সফলতার সাথে স্কোয়াড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করায় নবনির্বাচিত বিসিএসসি,আরসিপিএসসি স্কোয়াড এবং বিসিএসসি পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত উপদেষ্টা রামু ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের সিনিয়র শিক্ষক জনাব আবদুস সালাম মহোদয় এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। এবং বিসিএসসি এর পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব আবদুস সালাম মহোদয় প্রতিষ্টালগ্ন থেকে বাংলাদেশ ক্যান্টনমেন্ট স্টুডেন্ট’স কমিউনিটির উপদেষ্টা হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করায় বাংলাদেশ ক্যান্টনমেন্ট স্টুডেন্ট’স কমিউনিটি এর রামু ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ নবনির্বাচিত স্কোয়াডের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন সাবেক চীফ স্কোয়াড কমান্ডার মোহাম্মদ ইয়াসিন সিকদার ও নবনির্বাচিত স্কোয়াড। সম্মাননা স্মারক প্রদান পরবর্তীতে বিসিএসসি পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব আবদুস সালাম মহোদয় বিসিএসসির প্রসংশা করে বলেন,বিসিএসসি একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন,বিসিএসসির সমস্ত উদ্যোগ এবং কর্মপরিকল্পনা গুলো খুব ভাল। বিসিএসসি ক্যান্টনমেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এবং ক্যান্টনমেন্টিয়ানদের ঐক্যবদ্ধ করে কাজ করছে। এবং সাবেক চীফ স্কোয়াড কমান্ডার মোহাম্মদ ইয়াসিন সিকদার বিসিএসসির কার্যক্রম সম্পর্কে নবনির্বাচিত স্কোয়াডকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চীফ স্কোয়াড কমান্ডার ইশফাক আহমেদ রাফি,অ্যাডিশনাল কমান্ডার সৃজন কার অর্নব,ডেপুটি রামিম মোহাম্মদ রইয়ান,ডেপুটি কমান্ডার তাসফিয়া ওয়াশিমা পুষ্পা,মিডিয়া অ্যাম্বাসেডর ফাহিম শাহরিয়ার খান,ফিল্ড অ্যাম্বাসেডর জুতিশ্ময় শর্মা ধ্রুব,রুদাবা বিলকিস তুরিন,ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর শাকিবুল হাসান তিশাত , মেহিকা মোস্তারি মিফতাহ,সাদিয়া মোনতাহা, পাবলিক রিলেশনশিপ অ্যাম্বাসেডর তামিম ফয়েজ তুরান,এবং গ্রাফিক্স অ্যাম্বাসেডর জি এম ওয়াসিফ আবরার ইরহাম প্রমুখ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।