1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
মানিকগঞ্জে কবি জাহানারা আরজু উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৬ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও ছাত্র-ছাত্রীদের মেধার তালিকা পুরুষ্কার বিতরন-২০২৩ অনুষ্ঠিত। - Barta24TV.com
সকাল ৬:০৬, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মানিকগঞ্জে কবি জাহানারা আরজু উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৬ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও ছাত্র-ছাত্রীদের মেধার তালিকা পুরুষ্কার বিতরন-২০২৩ অনুষ্ঠিত।

মোহাম্মদ আলী হরিরামপুর ,
  • Update Time : বুধবার, জানুয়ারি ২৫, ২০২৩
  • 244 Time View

(মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি।  মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কবি জাহানারা আরজু উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৬ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও ছাত্র-ছাত্রীদের মেধার তালিকা পুরুষ্কার বিতরনী -২০২৩, ২৫ জানুয়ারী রোজ বুধবার বেলা ২ঘটিকায় অত্র বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গনে, অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শারমিন ইসলামের সভাপতিত্বে ও অত্র বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ লেবু মিয়ার শুভেচ্ছান্তে,ও সহকারী শিক্ষক সাইয়েদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এবং ম্যানেজিং কমিটির কো-অপ্ট সদস্য আবিদ হাসান বিপ্লবের শুভ উদ্বোধনের মাধ্যমে উক্ত খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বহলাতলী গ্রামের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ইবাদুল হোসেন (প্রবাসী)। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনকারী বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে প্রথম,দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থান অর্জন কারীদের পুরুষ্কার বিতরন সহ অত্র বিদ্যালয়ের শেষ্ঠ শিষক হিসেবে এ বছর নির্বাচিত হয়েছে অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী ক্রীড়া শিক্ষক আদ্রনাথ রায়,শেষ্ঠ স্টুডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে কাজী সামিয়া আফরিন জ্যোতি,বিজ্ঞান বিভাগ জিপিএ -৫,এস.এস.সি ব্যাচ-(২০২২),মেধার তালিকায় আরো পুরুষ্কার পেয়েছে সৌরভ ইসলাম নয়ন,এস.এস.সি ব্যাচ (২০২২),লিমন মিয়া এস.এস.সি.ব্যাচ( ২০২২)সহ প্রায় ১৬ জনের বেশি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ব্যক্তিগত অর্থায়নে শিক্ষা উপকরন বিতরন করেন অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শারমিন ইসলাম।তিনি সাংবাদিকদের জানান, আমার বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের দীর্ঘায়ু ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতে তারা যেন, অত্র বিদ্যালয়ের মুখ উজ্জ্বল করে দেশ ও জাতির কল্যানে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে এই কামনা ও দোয়া রেখে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি করেন

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।