1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
বালিয়াডাঙ্গীতে আইনজীবির বাসায় চুরি চোর আটক ! - Barta24TV.com
সকাল ১০:০৬, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বালিয়াডাঙ্গীতে আইনজীবির বাসায় চুরি চোর আটক !

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, আগস্ট ২১, ২০২২
  • 129 Time View

মোঃ সাইফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ;
ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শহরের দুওসুও কলেজ রোড এলাকার বাসিন্ধা আইনজীবি আবেদুর রহমানের বাসভবনের গ্যারেজে রক্ষিত ৫০হাজার টাকা মূল্যেমানের বিভিন্ন ইলেক্টনিক্স মালামাল প্রকাশ্যে দিবালোকে চুরী সংঘটিত ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে রাশেল (১৯) নামের এক চোরকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আটক করে থানা পুলিশের নিকট সোপদ করেছে। মামলার সূত্রে জানা গেছে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা দুওসুও সাধুৰান্ধা গ্রামের জয়নালের ছেলে রাশেল গত ৮ আগস্ট বিকেল ৩টায় ৰালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শহরের দুওসুও কলেজ রোড এলাকার বাসিন্ধা আইনজীবি আবেদুর রহমানের বাসভবনের গ্যারেজে ঢুকে তার রক্ষিত ৫০হাজার টাকা মূল্যেমানের বিভিন্ন ইলেক্টনিক্স মালামাল প্রকাশ্যে দিবালোকে চুরী করে নিয়ে যাওয়ার সময় ৰাড়ীর লোকজন সহ আশে পাশের লোকজন দেখতে পায়। ঘটনার সময় আইনজীবি আবেদুর রহমানের স্ত্রী ও তার বাড়ীর গৃহকমী বাসার দ্বিতল ভবন থেকে তাদের গ্যারেজে রক্ষিত ৫০হাজার টাকা মূল্যেমানের বিভিন্ন ইলেক্টনিক্স মালামাল চুরির করে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখতে পেয়ে তারা চিৎকার দিতে থাকলে আশে পাশ্বের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এলে, তারা চুরি করার মালামাল নিয়ে রাশেলকে আটোচাজার যোগে পালিয়ে যেতে দেখে। ঘটনার সময় আইনজীবি আৰেদুর রহমান পেশাগত দায়িত্ব পালনে ঠাকুরগাঁও আদালতে অবস্থানকালে ৰাসায় চুরির বিষয়টি তিনি জানতে পারে। পরে তিনি ও তার লোকজন সহ মিলে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা করে। এক পযায়ে গত ১৩ আগস্ট সন্ধ্যায় ৫ নং– দুওসুও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা আইনজীৰির ৰাসায় চুরি ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রাশেলকে আটক করে রাখে এমন সংৰাদ পেয়ে আইনজীৰি আৰেদুর রহমান ইউনিয়ন পরিষদে গেলে উপস্থিত লোকজনের সামনে চেয়ারম্যানের জিজ্ঞাসাবাদ কালে রাশেল তার ৰাসায় চুরি করার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। পরে তিনি চৌকিদারের মাধ্যমে স্থানীয় থানা পুলিশের নিকট সোপদ করে। এৰিষয়ে ঐ দিন ৰালিয়াডাঙ্গী থানায় আইনজীবি আবেদুর রহমান ৰাদী হয়ে রাশেলকে আসামী করে চুরির মামলা দায়ের করে। এৰিষয়ে ৰালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি খায়রুল আনাম এর নিকট জানতে চাইলে মামলা দায়েরের ৰিষয়টি নিশ্চত করেন। পরিদন পুলিশ তাকে ঠাকুরগাঁও চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রট আমলী আদালতের ৰিচারকের নিকট হাজির করে। সংশ্লিষ্ট আদালতের ৰিচারক আরিফুর রহমান জৰানৰন্দি শুনানীকালে রাশেল আইনজীৰি আৰেদুর রহমানের ৰাসায় চুরি করার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। পরে আদালতের ৰিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরন করে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।