1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
বালিয়াডাঈীতে ইউএনওর বদলিজনিত কারণে বিদায় সংর্বধনা অনুষ্ঠিত হয় - Barta24TV.com
সকাল ৭:৪৪, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বালিয়াডাঈীতে ইউএনওর বদলিজনিত কারণে বিদায় সংর্বধনা অনুষ্ঠিত হয়

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২
  • 650 Time View

 মোঃ সাইফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ; ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহা. যোবায়ের হসেন সম্প্রতি বদলি হয়েছেন। আজ রবিবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বিদায় সংর্বধনা জানানো হয়। বিদায় সংর্বধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আসলাম জুয়েল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আওয়ামীলীলের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী, বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি খায়রুল আনাম। বক্তব্য রাখেন- উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া পারভিন। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব, আলহাজ্ব মোঃ আকরাম আলী, আকালু মোহাম্মদ ডংগা, সোহেল রানা, সাহাবুদ্দীন আহাম্মেদ, সমর কুমার চ্যাটার্জী নুপুর, ফজলে রাব্বী রুবেল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইদুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী মইনুল ইসলাম, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা সাহারা বানু, ইউএনও’র সহধর্মিনী, বালিয়াডাঙ্গী টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সাদেকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন- উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আজমল হক রয়েল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বালিয়াডাঙ্গী সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সহ প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সংবাদ কর্মীবৃন্দ। বিদায় বেলায় আবেগঘন বক্তব্য দেন ইউএনও মোহা. যোবায়ের হোসেন বলেন, উপজেলার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও স্থানীয়দের ভালোবাসার বিষয়টি তুলে ধরেন ইউএনও, ‘প্রায় তিন বছর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে বদলিজনিত কারণে বিদায় নিলাম। চাকরির বহুমাত্রিকতার কারণে অনেক মানুষের অনেক প্রত্যাশা ছিল। তাই বিদায় বেলায় অনেক কিছু করতে না পারার অনুভূতি আমাকে আচ্ছন্ন করে আছে। অনেক কাজ করার ছিল। হয়তো বেশির ভাগই সম্ভব হয়নি। তবে কিছু কাজের কথা আলাদাভাবে অনেকদিন মনে থাকবে। ’মোহা. যোবায়ের হোসেন আরও বলেন, ‘ডাক বাংলা উপজেলা পরিষদ পুকুর খনন, পরিষদ গেট, বাউন্ডারি ওয়াল, সামনের ল্যান্ড স্কেপিং, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্স ‘উথনাউ’ ইত্যাদি কাজগুলো আলাদাভাবে মনে থাকবে। ইট, সিমেন্ট, কাঠ ও পাথরের বাইরেও এই সৃষ্টিগুলোর পেছনে ছোট ছোট গল্প ছিল। ভুল ছিল, ভ্রান্তি ছিল, আবেগ ছিল, ভালোবাসা ছিল। সেই সঙ্গে ছিল অনেকের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতা।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘তিন বছরে অনেক ঋণ আমার প্রিয় সহকর্মী, জনপ্রতিনিধি, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলাবাসীর কাছে জমা হয়েছে। আলাদাভাবে কাউকে ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট করতে চাই না। চলার পথে ভুলভ্রান্তিগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। সরকারি চাকরিতে বদলি-বিদায় স্বাভাবিক বিষয়। তারপরও কষ্ট লেগেছে। তবে বিদায় আছে বলেই কিন্তু মানুষের ভালোবাসা অনুভব করার সুযোগ হলো।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।