1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার চেয়ে আলটিমেটাম - Barta24TV.com
সকাল ৮:২৫, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার চেয়ে আলটিমেটাম

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২২
  • 128 Time View

মোঃ সাইফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ;

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে দৈনিক মানবকন্ঠের উপজেলা প্রতিনিধির ওপর হামলার ঘটনায় হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। আগামী তিন দিনের মধ্যে গ্রেফতার করাসহ ৭ দফা দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে স্মারকলিপি দেন সাংবাদিকরা।
তিন দিনের মধ্যে দাবি মানা না হলে কঠোর আন্দোলনে যাবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহরিয়ার নজির সাংবাদিকদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।

পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের ব্যানারে দেওয়া স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়—গত বুধবার দুপুরে পীরগঞ্জ পৌর শহরের পূর্ব চৌরাস্তার এসবিএসি ব্যাংকের সামনে উপজেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে কালো পতাকা মিছিলের ছবি তোলার সময় দৈনিক মানবকন্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি লাতিফুর রহমান লিমনের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা তাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত ও জখম করে। স্থানীয়রা সাংবাদিক লিমনকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বর্তমানে গুরুতর অবস্থায় লিমন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। পীরগঞ্জ থানার ওসিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আহত লিমনকে হাসপাতালে দেখতে যান, তার চিকিৎসার খোজ খরব নেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত হামলাকারীদের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে স্থানীয় সাংবাদিকরা ক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন। ৭২ ঘন্টার মধ্যে হামলাকারীদের চিহিৃত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান সাংবাদিকরা।অন্যথায় সাংবাদিকরা বৃহত্তর আন্দোলন করতে বাধ্য হবেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা অন্যান্য দাবিগুলো হলো—সন্ত্রাসী হামলায় আহত সাংবাদিক লিমনের চিকিৎসা খরচ রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা, রাষ্ট্রের ৪র্থ স্তম্ভ সংবাদপত্র তথা সাংবাদিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত ও যখন তখন সাংবাদিকদের ওপর হামলা-হত্যার হুমকি দেওয়া বন্ধ করা, স্বাধীন সাংবাদিকতায় বাধা কালো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা এবং পীরগঞ্জে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা পালন করা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহরিয়ার নজির স্মারকলিপিতে উল্লেখিত দাবিগুলো বাস্তবায়নে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।