1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
ওয়েলসকে চমকে দিয়ে ওয়েয়াহর গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র - Barta24TV.com
সকাল ৬:০৭, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ওয়েলসকে চমকে দিয়ে ওয়েয়াহর গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৪, ২০২২
  • 213 Time View

ওয়েলসকে চমকে দিয়ে ওয়েয়াহর গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-মোঃ নাসির, নিউ জার্সি (আমেরিকা) প্রতিনিধিঃ কাতার বিশ্বকাপে দারুণ এক ম্যাচ উপহার দিলো উত্তর আমেরিকার পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও দীর্ঘ ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাওয়া ওয়েলস। প্রথমার্ধে দাপট দেখায় যুক্তরাষ্ট্র, দ্বিতীয়ার্ধে ওয়েলস।নিজেদের প্রথম ম্যাচে ওয়েলসের মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র। ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচের বাড়ানো থ্রু বলে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে এগিয়ে নিয়ে যান টিমোথি ওয়েয়াহ।জমে ওঠা লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়ার পর গ্যারেথ বেলের সফল পেনাল্টিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করলো ওয়েলস।
সোমবার (২১ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় কাতারের আহমেদ বিন আলী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় এ খেলা।ম্যাচের ৯ মিনিটে সার্জেন্টের শট গোলবারে লেগে ফিরে আছে নাহলে শুরুতেই এগিয়ে যেতে পারতো তারা।পুরো ম্যাচে মাঝমাঠ দখল করে রাখলে তেমন সুযোগ তৈরি করতে পারছিলো না যুক্তরাষ্ট্র। অবশেষে সেই সুযোগটি আসে ৩২তম মিনিটে। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে চেলসির উইঙ্গার পুলিসিচের বাড়ানো বলে ডি বক্সের ভেতর থেকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে দলকে এবারের বিশ্বকাপে প্রথম গোল এনে দেন টিমোথি উইয়াহ। প্রথমার্ধের শেষে যুক্তরাষ্ট্র আরো কিছু গোলের সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো ওয়েলস রক্ষণভাগে এসে পরাস্ত হয়। যার ফলে এক গোলের লিড নিয়ে খুশি থাকতে হয় অল আমেরিকানদের।বিরতির পর খেলতে নেমে ছন্দ খুঁজে পায় ওয়েলস। একের পর এক আক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণভাগের পরীক্ষা নেয় দলটি। ৬৪তম মিনিটে সমতায় ফিরতে পারত তারা। ফ্রি-কিক থেকে উড়ে আসা বল হেডে ঠেকাতে পারেননি জিমারম্যান ও অ্যাডামস। বল চলে যায় বেলের কাছে; বক্সে তিনি হেড দেন ডেভিসের কাছে। টটেনহ্যামের এই ডিফেন্ডারের জোরালো হেড ঝাপিয়ে ঠেকান আমেরিকার গোলরক্ষক। এক মিনিট পর কর্ণার থেকে উড়ে আসা বল ওয়েলসের কেউ হেড নিলে একটুর জন্য জালে জড়ায়নি।৮১তম মিনিটে বক্সে গ্যারেথ বেলকে ফাউল করেন জিমারম্যান; পেনাল্টির বাঁশি বাজায় রেফারি। সফল স্পট কিকে লক্ষ্যভেদ করে দলকে সমতায় ফেরাতে ভুল করেননি সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড। পরবর্তীতে আর কোনো গোল না হলে ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।