1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
এনএসভিসি প্রকল্প কর্তৃক বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে অন্তর্ভূক্তিকরণ ফলো-আপ সভা অনুষ্ঠিত - Barta24TV.com
রাত ৪:৩১, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এনএসভিসি প্রকল্প কর্তৃক বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে অন্তর্ভূক্তিকরণ ফলো-আপ সভা অনুষ্ঠিত

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, জানুয়ারি ২৫, ২০২৩
  • 264 Time View

খোরশেদ আলম,স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহঃ

জামালপুর সদর উপজেলায় এনএসভিসি প্রকল্প কর্তৃক বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে অন্তর্ভূক্তিকরণ ফলো-আপ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অদ্য ২৫.০১.২০২৩ ইং তারিখ রোজ বুধবার উপজেলা পরিষদ জামালপুর এর সভা কক্ষে নিউট্রিশন সেনসিটিভ ভ্যালু চেইনস ফর স্মলহোল্ডার ফারমার্স (এনএসভিসি) প্রকল্প, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ কর্তৃক বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে অন্তর্ভূক্তিকরণ ফলো-আপ সভা আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিটুস লরেন্স চিরান, জামালপুর সদর, জামালপুর, সমাজ সেবা বিভাগ, জামালপুর সদর স্বাস্থ্য বিভাগ (উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিস, জামালপুর) এবং বেসরকারী সংস্হা ও সংগঠন থেকে আগত মোট ৩৮ জন কর্মীবৃন্দ অংশগ্রহন করেন। সভায় বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে(সোশ্যাল সেফটিনেট প্রোগ্রাম)) অন্তর্ভূক্তিকরণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। ২১৪ জন বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে অন্তর্ভূক্তিকরণ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য জামালপুর সদর উপজেলা প্রশাসন, সমাজ সেবা বিভাগ,জামালপুর সদর স্বাস্থ্য বিভাগ (উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিস, জামালপুর) এবং স্হানীয় বেসরকারী সংগঠনক ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।

জামালপুর সদর উপজেলার সুযোগ্য সম্মানিত নির্বাহী অফিসার লিটুস লরেন্স চিরান তার বক্তব্যে বলেন- বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টিনীতে অন্তভূক্তিকরন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিস, সমাজ সেবা বিভাগের কর্মকর্তা ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ সহ সকলকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান। তিনি আরো বলেন বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিরা যাহাতে বিচ্ছিন্নভাবে সেবা পেতে পারেন তার জন্য কলিং বেলের ব্যবস্হা করার জন্য উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কে নির্দেশনা প্রদান করেন।

উক্ত মিটিংয়ে আরো আলোচনা করেন ডা: হাফিজুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয় জামালপুর সদর বলেন -মাসে একবার করে ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে মেডিকেল অফিসার এবং সমাজ সেবা বিভাগের কর্মকর্তা কর্তৃক বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য পরিক্ষার ব্যবস্হা করলে পরবর্তীতে বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিরা ইউনিয়ন পর্যায় থেকে সহজেই সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর(সেভটি নেট কার্যক্রম) সেবাসমূহের আওতাভুক্ত হতে পারবে।

মুক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জামালপুর সদর উপজেলা উল্লেখ্য করেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন কর্তৃক আয়োজিত এ ধরনের কার্যক্রমটি একটি ভাল উদ্যোগ যা সমাজ সেবা বিভাগকে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সহজে সেবা প্রাপ্তিতে সহায়তা করেছে। এন এস ভি সি প্রকল্পের উপকারভোগী সুরুজ আলী, শ্রীপুর বলেন- আমি সুবর্ণ নাগরিক কার্ড পেয়ে খুব খুশি। আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, রুমা ইয়াসমিন, জেন্ডার স্পেশালিস্ট- এনএসভিসি প্রকল্প, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ (সিআরবি) জামালপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলম, মানবাধিকার কর্মী ও সভাপতি, তারকা সংঘ, জামালপুর।

আলোচনা সভায় সঞ্চালকের ভূমিকায় ছিলেন সাদেকা বেগম, জেন্ডার অফিসার, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ।

মিটিং এ সক্রিয় ভাবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রেজাউল করিম- সাব ডিস্ট্রিক্ট কোর্ডিনেটর-এনএসভিসি প্রকল্প, অসীম চ্যাটার্জী, প্রকল্প ব্যবস্থাপক, এনএসভিসি প্রকল্প,ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।