1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
আশ্রয় প্রকল্পের ঘর পরিদর্শন সহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে বিভাগীয় কমিশনার, - Barta24TV.com
সকাল ১০:১৬, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আশ্রয় প্রকল্পের ঘর পরিদর্শন সহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে বিভাগীয় কমিশনার,

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২
  • 673 Time View

 ইয়াছিন আলী খান দোয়ারা বাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি। সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পরিদর্শনসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসুচীতে অংশগ্রহণ করেন করেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ডক্টর মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ও জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন । রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সুনামগঞ্জ থেকে দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাও ইউনিয়নের যোগীরগাও আশ্রায়ন প্রকল্প -২ পরিদর্শন শেষে সুরমা নদীতে মৎস্য অফিসের মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।দোয়ারাবাজার এসে প্রথমে উপজেলা ভবনের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ডক্টর মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ও জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।পরে বিশ্ব নদী দিবদের র্যালী উদ্ভোধন শেষে উপজেলা অডিটোরিয়ামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা প্রিয়াংকা এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ডক্টর মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ।আলোচনা সভা শেষে বিভাগীয় কমিশনারের ফান্ড থেকে ২০ জন বন্যার্ত মানুষের মধ্যে ৫ হাজার করে ১ লাখ টাকা বিতরণ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫ জন ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ৬ হাজার টাকা করে ২০ জনের মধ্যে শিক্ষা উপবৃত্তি ও ৫ জনকে বাইসাইকেল বিতরণ, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে ৭ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মধ্যে ৩০ হাজার টাকা করে ২লাখ ১০ হাজার টাকা বিতরণ, পল্লীসঞ্চয় বাংকের ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা ঋণ বিতরণ, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে ৪’জন ভিক্ষুক কে ৪ টি ভাসমান ভ্যান ও মুদি দোকানের মালামাল প্রদান করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, উপজেলা ভূমি অফিস ও দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়ন পরিষদ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার পরিদর্শণ ও মুহিবুর রহমান মানিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। দুপুরে বিভিন্ন দপ্তরের সরকারী কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরিক কাজের খোঁজ-খবর নেন। বিকেলে উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের কলোনী গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মান করা ২৪ টি ঘর পরিদর্শণ করে উপকারভোগীদের সাথে মতবিনিময় সভার অংশগ্রহণ করেন। এসময় তাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান আল তানভীর আশরাফী চৌধুরী বাবু , উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা প্রিয়াংকা সহকারী কমিশনার( ভূমি) ফয়সাল আহমেদ, দোয়ারাবাজার থনার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেবদুলাল ধর, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আম্বিয়া আহমেদ, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালেহা বেগম,ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, বাংলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান রোটারিয়ান শেখ আবুল হোছাইন, দোয়ারাবাজার সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ ,ইউপি সদস্য আল আমিন, আব্দুল কাদিরসহ উপজেলা পরিষদের সকল কর্মকর্তা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।