

বার্তা ২৪ টিভি ডেস্কঃ
দৈনিক অভিযোগ বার্তা’র ৬ষ্ঠ বছর উদযাপন উপলক্ষে স্টার অ্যাচিভার এওয়ার্ড ২০২৫ আগামী ৮ নভেম্বর ২০২৫ বিকাল ৪ টা কচিকাঁচা অডিটোরিয়াম হলে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে স্ব স্ব ক্ষেত্রে অবদান রাখা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পেশার স্বনামধন ব্যক্তিদের নিয়ে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে (স্টার অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড ) অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ অনুষ্ঠাননটি শনিবার বিকেলে দৈনিক অভিযোগ বার্তা’র উদ্যোগে ও স্টার বাংলাদেশ মিডিয়া”র ইভেন্ট ব্যবস্থায় এই জমকালো আয়োজনের কালচার ও লিডারশীপ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানের পরিচালনায় ছিলেন ইভেন্ট অর্গানাইজার ও স্টার বাংলাদেশ মিডিয়ার চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান এবং দৈনিক অভিযোগ বার্তা’র সম্পাদক এস এম ফিরোজ আহাম্মদ। । অনুষ্ঠান ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, সংস্কৃতি. সামাজিক ও মিডিয়া অঙ্গনের গুণীদের নিয়ে এই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ‘স্টার অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ অনুষ্ঠানে সমাজের গুনী শিল্পীদের মনোনয়োন দেওয়া হয়।
তেমনি ডক্টর হুসাইন আলম যে কিনা অনেক উচু মানের ভালো মানুষ।ডঃ মোঃ হুসাইন আলম একদুরান্ত বালকের নাম যিনি অসাধ্য কে সাধ্য করে প্রতিষ্ঠা করেছেন বিশ্বের বুকে এক দৃষ্টান্ত। যা বাঙালি হিসেবে অতুলনীয় অর্জন। ডক্টর আলম অনার্স এবং মাস্টার্স শেষ করেছেন ইউকে থেকে পিএইচডি কমপ্লিট করেছেন ৯ জন নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনিভার্সিটি অফ রকলও পোল্যান্ড থেকে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে জব করেছেন ওই ইউনিভার্সিটিতে। হুসাইন আলম আরো দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ডক্টর আলম পিএইচডি’র ছাএ থাকা অবস্থায় পরপর দুইবার বেষ্ট স্টুডেন্ট রেক্টর স্কলার্শিপ পেয়েছেন। হুসাইন আলম প্রথম বাংলাদেশী যিনি পলিশ সাইন্টিফিক এসোসিয়েশনের মেম্বার।ডক্টর আলম প্রথম বাংলাদেশি যিনি পোল্যান্ডে তথা ইউরোপে প্রতিষ্ঠা করেছেন ব্রিটিশ গ্রাজুয়েট কলেজ। এই গ্রাজুয়েট কলেজে অনার্স,মাস্টার্স এবং এমবএ প্রোগ্রাম চালু আছে ।সারা বিশ্বে থেকে হাজার হাজার স্টুডেন্ট ব্রিটিশ গ্রাজুয়েট কলেজে লেখাপড়া করে থাকে। হুসাইন আলমের জীবন যেন এক রূপকথার গল্পের মত। ডক্টর হোসাইন আলমের ২৫ টার উপরে সাইন্টিফিক আর্টিকেল পাবলিস্ট হয়েছে যা ৪/৫ তারকা আর্টিকেল জার্নালে এবং তিনি ১০০ টার উপরে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সে সারা বিশ্বে পেপার প্রেজেন্টেশন দিয়েছেন। বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদেরকে পোল্যান্ড লেখাপড়া করার জন্য তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকেন। তার ব্রিটিশ গ্রাজুয়েট কলেজে তিনজন বাংলাদেশী স্টুডেন্টদেরকে প্রতিবছর ফুল ফ্রি স্কলারশিপ দিয়ে থাকেন। তার এই অনবদ্য অবদান বাংলাদেশীদের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি পোল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকাকে উচ্চস্থানে ধরে রেখেছেন।১৯৯০ সালের পর থেকে কোন বাংলাদেশী পোল্যান্ড থেকে আর এইচডি করতে পারে নাই।
ডঃ হুসাইন আলম প্রথম বাংলাদেশী যে পোল্যান্ড থেকে পিএইচডি কমপ্লিট করেছে ২০২৩ সালে শিক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন অবদান রেখে চলেছেন পোল্যান্ডে যা এক অতুলনীয় এবং স্মরণীয় হয়ে রয়েছে ব্যক্তিগত জীবনে ডক্টর হোসাইন আলম পোলিশ তরুণীকে বিয়ে করেছেন তিনি এক পুএ সন্তানের জনক তিনি সেই গর্বিত পিতামাতার সন্তান যারা ওনাকে জন্ম দিয়েছেন সেই সাথে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে নিজেকে যুক্ত রেখে সাহায্য সহযোগিতা করছেন- আমরা দৈনিক অভিযোগ বার্তা পরিবার ডক্টর মোঃ হুসাইন হুসাইন আলমের মতো একজন সাদাা মনের মানুষকে সম্মানিত করতে পেরে গর্বিত ডক্টর মোঃ হুসাইনের জন্য শুভকামনা অবিরাম।