


মোহাম্মদ আলীঃ
মানিকগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদ দল (বিএনপির)একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটি বলে সর্ব মহলেই ইতিপূর্বে পরিচিতি লাভ করেছে।এ জেলার আয়তনে বৃহত্তর উপজেলা ও জাতীয়তাবাদ দল (বিএনপির) শক্তিশালী ঘাটি হরিরামপুর উপজেলা। অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ,গুনি,কবি,সাহিত্যিক,নাট্যকারের জন্ম এই উপজেলায়।
তেমনিভাবে বর্তমানে হরিরামপুরের রাজনীতির পরিচিত মুখ সাবেক ছাত্র নেতা আশিকুজ্জামান শিপু।শৈশবে যাত্রাপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শেষ করে পরে তিনি,সরকারি তিতুমীর কলেজে পড়াশোনা করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।
তিনি হরিরামপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক (২০০৩সালের কমিটি)ছিলেন।ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় নানামুখী নির্যাতন ও জুলুমের শিকাড় হয়েছিলো এই সাবেক ছাত্র নেতা এবং দীর্ঘদিন রাজনীতি করার কারনে নিজ এলাকায় ঢুকতে পারেনি শুধুমাত্র রাজনীতি করার কারণে।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে,তিনি উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের আবুল হোসেন (গিনি) এর ২য় পুত্র।সাবেক এই ছাত্রনেতা আশিকুজ্জামান শিপু বর্তমানে হরিরামপুরের যুব সমাজ,ছাত্র সমাজ এবং ছাত্রদলের পরিচিত আস্থাভাজন ব্যক্তি বলে সাধারণ মানুষের মুখে জয় ধ্বনির গুনজন শুনা যাচ্ছে।
মানিকগন্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক আফরোজা খানম রিতার আস্থাভাজন ও বেশ নাম ডাক শুনা যাচ্ছে বলে দলীয় অনেক নেতা কর্মীর সাথে কথা বলে জানা গেছে ।হরিরামপুর উপজেলার রাজনীতি ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সাবেক ছাত্র নেতা আশিকুজ্জামান শিপু জানান,তিনি বলেন দেশ ও দেশের মাটি রক্ষার্থে আর কোন ফ্যাসিবাদীর জায়গা বাংলার মাটিতে হবে না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় ও জেলা বিএনপির আহবায়ক আফরোজা খান রিতার সার্বিক সহযোগিতায় দলীয় নির্দেশনায় আমরা সর্বত্র কাজ করে যাচ্ছি।সুন্দর আগামীর একটি বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশায় হরিরামপুরের রাজনীতিতে মা ও মাটির সাথে ছিলাম আছি ভবিষ্যতে ও থাকবো।তিনি আরো জানান, রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আর্দশ বুকে লালন করে ও সবার দোয়া ও ভালোবাসা এবং সহযোগিতায় আগামী দিনগুলো পথ চলতে চাই।