1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
চট্টগ্রামে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ৮ - Barta24TV.com
ভোর ৫:০০, রবিবার, ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ৮

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
  • 18 Time View

স্টাফ রিপোর্টারঃ

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর বড়উঠানে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের ফাজিলখাঁর হাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে সালাহউদ্দিন নামে স্থানীয় এক জামায়াতকর্মীর দোকানে চা খেতে যান বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মনজুর, যুবদলের কর্মী মো. ইমন ও মোহাম্মদ ফারুক। সেখানে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলাপের এক পর্যায়ে দোকানি সালাহউদ্দিনের সঙ্গে তাঁদের কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। খবর পেয়ে সেখানে বিএনপি ও জামায়াতের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে জড়ো হলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

এতে আহত ব্যক্তিরা হলেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য মো. শাহেদুল আলম টিটু, মো. ইমন, মো. মনজুর, মোহাম্মদ ফারুক, আলমগীর, মোহাম্মদ এনাম, মামুন ও সালাহউদ্দিন তাঁদের মধ্যে চারজন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী এবং বাকিরা জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের রাজনীতিতে যুক্ত।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে শাহেদুল আলমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর কর্ণফুলী উপজেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি মো. আলমগীর বলেন, ‘নির্বাচনের আগে মাদকদ্রব্যসহ বিএনপির একজনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই ঘটনার পর থেকে আমাদের নেতা-কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমাদের চার নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।’

কর্ণফুলী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম বলেন, ‘মূলত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে জামায়াতের লোকজন হামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন। এতে আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহত তিনজন রাতে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে চলে আসছে, গুরুতর আরও তিনজন ভর্তি রয়েছেন।’

এদিকে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জামায়াতে ইসলামী কর্ণফুলী উপজেলা আমীর সেক্রেটারি মনির আবছার চৌধুরী ও নুর উদ্দিন জাহাঙ্গীর বিবৃতিতে দাবী করেন, শুক্রবার সন্ধ্যা হতে স্থানীয় বিএনপি জামায়াত কর্মীদের বাড়িতে দফায় দফায় হামলা করে। পরবর্তীতে সমাধানের জন্য ফাজিল খার হাট বাজারে আসলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা টিটুর নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয়। এতে জামায়াত নেতা আলমগীর, এনাম ও মামুনসহ ৮-১০ আহত হয় ও বেশ কয়েকটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা করা হয়। হতাহতদের মধ্যে মামুন ও আলমগীরের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এবিষয়ে জানতে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম বলেন, ‘এঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে পুলিশ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category