

বিনোদন ডেস্কঃ
গ্ল্যামার এবং বিনোদন জগতের আকাশটা অনেক বিশাল, যেখানে একেকজন তারকা একেকটি ভিন্ন কক্ষপথে বিচরণ করেন। ভারতীয় ছোট পর্দার পরিচিত মুখ ইয়াসমিন মালহোত্রা এবং আন্তর্জাতিক বিনোদন জগতের পরিচিত নাম ব্রায়ানা ব্যাংকস—উভয়ই নিজ নিজ ক্ষেত্রে অত্যন্ত আলোচিত। যদিও তাঁদের কাজের জগত এবং দর্শকদের ধরণ সম্পূর্ণ আলাদা, তবুও তাঁদের জীবনের গল্পে পরিশ্রম এবং খ্যাতির এক অমোঘ টান রয়েছে।
ইয়ামিনি মালহোত্রা পর্দার স্নিগ্ধতা ও মেধা ইয়াসমিন মালহোত্রা মূলত তাঁর অভিনয় দক্ষতা এবং শরীরী সৌন্দর্যের চেয়েও বেশি পরিচিত তাঁর শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের জন্য। ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন শো ‘গুম হ্যায় কিসি কে পেয়ার মে’-তে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তবে অভিনয়ের বাইরে তাঁর জীবনের একটি চমৎকার অজানা দিক হলো, তিনি পেশায় একজন দন্তচিকিৎসক। গ্ল্যামার জগতে আসার আগে তিনি নিজের পড়াশোনা এবং চিকিৎসা পেশায় সমান মনোযোগী ছিলেন। মেধা আর রূপের এই সমন্বয় তাঁকে অন্য অনেক অভিনেত্রীর চেয়ে আলাদা করেছে। ভক্তদের কাছে তিনি তাঁর স্টাইলিশ লুক এবং স্পষ্টভাষী স্বভাবের জন্য জনপ্রিয়।
ব্রায়ানা ব্যাংকস আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও জীবন অন্যদিকে, ব্রায়ানা ব্যাংকস হলেন আন্তর্জাতিক বিনোদন জগতের এমন এক নাম যিনি গত কয়েক দশক ধরে নিজের ক্ষেত্রে একচ্ছত্র জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন। জার্মানি থেকে আমেরিকার বিনোদন জগতে পা রাখা এই অভিনেত্রীর জীবনের অজানা দিক হলো তাঁর দীর্ঘস্থায়ী ক্যারিয়ার। অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করে তিনি বিশ্বজুড়ে এক বিশাল ভক্তকুল তৈরি করেছেন। গ্ল্যামার জগতের কঠিন প্রতিযোগিতার মাঝেও তিনি যেভাবে নিজেকে দশকের পর দশক ধরে প্রাসঙ্গিক রেখেছেন, তা অনেকের কাছেই বিস্ময়ের।
ইয়ামিনি এবং ব্রায়ানা—দুজনেই ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপট ও সংস্কৃতি থেকে উঠে এসেছেন। ইয়াসমিন যেখানে ভারতীয় দর্শকদের পারিবারিক আবহে মুগ্ধ করেছেন, ব্রায়ানা সেখানে আন্তর্জাতিক বিনোদন মাধ্যমে নিজের এক আলাদা পরিচয় গড়ে তুলেছেন। তাঁদের জীবনের গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, গ্ল্যামার জগত কেবল পর্দার চাকচিক্য নয়, এর পেছনে থাকে কঠোর অধ্যাবসায় আর অদম্য জেদ।