1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
৫০ টাকার ভাড়ায় ৮০ টাকা আদায়, নোয়ারাই -বাংলাবাজার সড়কে সিএনজি চালকদের ভাড়া নৈরাজ্যে অতিষ্ঠ সাধারন যাত্রী - Barta24TV.com
সকাল ৯:১৯, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৫০ টাকার ভাড়ায় ৮০ টাকা আদায়, নোয়ারাই -বাংলাবাজার সড়কে সিএনজি চালকদের ভাড়া নৈরাজ্যে অতিষ্ঠ সাধারন যাত্রী

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, অক্টোবর ৭, ২০২২
  • 612 Time View

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ):-

রাস্তা ভালো নয়,চালকদের নিজস্ব অর্থায়নে আংশিক সংস্কার করা হয়েছে,গ্যাসের দাম অতিরিক্তসহ নানান অজুহাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে ছাতকের নোয়ারাই ও দোয়ারাবাজারের বাংলাবাজার সড়কের সিএনজি চালকরা।
ওই সড়কের সিএনজি চালকদের মনগড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যে অতিষ্ঠ যাত্রীরা।
সিএনজি চালকদের খেয়াল-খুশি মতো ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করলে চালকদের কাছ থেকে নানা আপত্তিকর কথা শুনতে হয় বলে অভিযোগ যাত্রীদের। এ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, বাংলাবাজার থেকে নোয়ারাই জনপ্রতি ৫০ টাকার ভাড়া,সেখানে নেওয়া হচ্ছে ৮০-১০০টাকা, এভাবে প্রায় প্রতিটি সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে চালকরা সম্মিলিতভাবে নিজেদের ইচ্ছামতো ভাড়া বাড়িয়ে নিয়েছে।

সিএনজি চালকরা জানান,রাস্তা খারাপ,নিজস্ব অর্থায়নে আংশিক সংস্কার করা হয়েছে,গ্যাসের দাম অতিরিক্ত, ভাঙ্গা রাস্তায় গাড়ি চলাচলে কয়েকদিন পর পর গাড়িতে কাজ করাতে হয়, যার কারনে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিশ্চুক নোয়ারাই ইউনিয়নের বাসিন্দা একজন দিনমুজুর জানান, তিনি বাংলাবাজার এলাকায় ৪০০ টাকা রুজে কাজ করেন, প্রতিদিন সকালে কাজের উদ্যেশে তিনি বাংলাবাজার আসেন ও সন্ধায় বাড়ি যান। এতে করে তাকে ৮০ করে ১৬০ টাকা গাড়ি ভাড়া দিতে হচ্ছে। ৪০০ টাকা রুজের শ্রমিক,১৬০ টাকা গাড়িভাড়া, তার মধ্যে দুপুরের খাবার। এ এযেনো মরার উপর খড়ার ঘা,তিনি এই হয়রানী থেকে মুক্তি পাওয়ার দাবী জানান।

জুবাইয়ের আহমদ বাংলাবাজারের এক ব্যাবসায়ী বলেন, আমরা শুনেছি বাংলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যানের অর্থায়নে রাস্তার সংস্কার কাজ করা হয়েছে। কিন্তু রাস্তা সংস্কার করার অজুহাত দেখিয়ে চালকরা ৫০ টাকার জায়গায় ৮০-১০০ টাকা আদায় করছে, অহেতুক অজুহাতে ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়।
দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ও বাংলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কারীদের আইনের আওতায় এনে যাত্রীদের হয়রানী দূরীকরণে কাজ করার দাবী জানাই।

বাংলাবাজার সিএনজি চালক সমিতির সভাপতি
সাজ্জাদুর রহমান অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়টি স্বিকার করে বলেন, রাস্তা খারাপ থাকায় সিএনজি চালকদের নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার কাজ করা হয়েছে। যার কারনে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। তাছাড়া বাংলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা করেই ভাড়া বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

ভাড়া বাড়ানোর সাথে সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বিকার করে বাংলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন বলেন,
দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নোয়ারাই-বাংলাবাজার সড়কটি সংস্কার না হওয়ায়, মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলচল করতে হচ্ছে। গত মাসে নোয়ারাই ও বাংলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের যৌত উদ্যোগে রাস্তার সংস্কার কাজ করা হয়েছে। রাস্তা সংস্কার করার পর সিএনজি চালকের বলে দেওয়া হয়েছিলো কোন ভাবে যেনো যাত্রীরা হয়রানীর স্বিকার না হন। কিন্তু সিএনজি চালকরা তার উল্টো করছে,অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে যাত্রীদের হয়রানী করছে,আমি বিষয়টির ব্যাবস্থা নিবো।

দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহি অফিসার ফারজানা প্রিয়াঙ্কা জানান, নির্ধারিত ভাড়ার নিয়ম অতিক্রম করে,সিএনজি চালকরা নিজেদের ইচ্ছেমতো কোনো ভাড়া আদায় করতে পারেনা। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।