1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত সভাপতি আব্দুল ওহাব ও সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহিন। - Barta24TV.com
সকাল ৬:০০, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত সভাপতি আব্দুল ওহাব ও সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহিন।

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, জুন ১১, ২০২২
  • 260 Time View

মীর শাহাদাৎ হোসাইন

পাবনা জেলা প্রতিনিধিঃ
আজ ১১ই জুন শনিবার অনুষ্ঠিত হয় পাবনা সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। সুজানগর নিজাম উদ্দিন আজগর আলী ডিগ্রি কলেজ মাঠে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সকাল ১১ ঘটিকায়। পবিত্র কোরআন তেলওয়াত ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন এর মধ্যে দিয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করেন সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পাবনা জেলা শাখা জনাব মোহাম্মদ রেজাউল রহিম লাল।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি জনাব আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল ওহাব ও সঞ্চালনায় ছিলেন শাহীনুজ্জামান শাহীন। বিভিন্ন প্রার্থীর স্লোগােন মুখরিত হয়ে হঠে সম্মেলনের মাঠে মিছিল নিয়ে দলীয় হাজারও নেতাকর্মীর সমর্থকেরা উপস্থিত হন । কেন্দ্রীয় নেতাদের আগমনে সম্মেলন সফল ও সার্থক হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য জননেতা জনাব আব্দুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আহমেদ ফিরোজ কবির সংসদ সদস্য পাবনা-২ ডাক- টেলিযোগাযোগ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য , নাদিয়া ইয়াসমিন জলি এমপি সংরক্ষিত মিলা আসন ৪২ পাবনা- সিরাজগঞ্জ, সাবেক ছাত্রলীগনেতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটি অন্য তম সদস্য কামরুজ্জামান উজ্জ্বল, সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, জনাব রেজাউল হক বাবু সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আমিনপুর থানা শাখা এবং চেয়ারম্যান বেড়া উপজেলা পরিষদ, এ্যাডঃ আসিফ শামস্ রঞ্জন,
সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বেড়া পৌর মেয়র, রেজাউল করিম রেজা সুজানগর পৌর মেয়র, পাবনা জেলার যুবলীগের ১নং যুগ্ম আহবায়ক শিবলী সিদ্দিক সহ পাবনা জেলা নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে আগত নেতৃবৃন্দ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ।

সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্যায়ে পরিচালনা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পাবনা জেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক জনাব গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি পাবনা-৫ সদর। সম্মেলনে উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কথা তুলেধরেন। বাজেট নিয়ে কৃষক, শ্রমিক সাধারণ মানুষের নিয়ে কথা বলেন। আগামী জাতীয় ২০২৩-২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কে বিজয়ী করার লক্ষে নেতা কর্মীদের একসাথে কাজ করার আহবান জানান এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত কে শক্তি শালী করবেন, অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে ও সবাই সজাগ থাকবেন এ সকল বক্তব্যে এইসব কথা তুলে ধরেন।

পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতথেকে কমিটি ঘোষণা করেন সভাপতিমন্ডলী সদস্য জনাব আব্দুর রহমান। আগামী তিন বছরের জন্য ঘোষিত সভাপতি হন আলহাজ্ব আব্দুল ওহাব ও সাধারণ সম্পাদক, শাহীনুজ্জামান শাহীন ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।