


নিজস্ব ডেস্ক:
“নূর উদ্দিন রাসেল এর অপকর্মের আরো তথ্য শীগ্রই আসছে”
আওয়ামী ডেবিল, নূরউদ্দিন রাসেল এর উপর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলা থাকলেও আজ ও সে অধরা
সিলেটে সাপ্তাহিক বৈচিত্র্যময় সিলেট পত্রিকার পরিচয়ে এক ডেবিল মিথ্যা কাল্পনিক বানোয়াট সংবাদ প্রচার করে লাগামহীন চাদা্ঁবাজি ও সামাজিক পরিবেশ নষ্ট করে সমাজের শিক্ষিত ভদ্র,অসহায় নারীর ছবি ইডিট করে, মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে, তার কল্পনাকাহিনী দিয়ে, মনগড়া বাক্য দিয়ে মান সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। সেই কুখ্যাত ডেবিল নুরুদ্দীন রাসেল সম্প্রতি সাপ্তাহিক বৈচিত্র্যময় সিলেট পত্রিকার স্টিকার লাগানো একটি সিএনজি ছাগলসহ ২ চোরকে দক্ষিণ সুরমার মার্কাস পয়েন্ট থেকে আটক করে পুলিশ। সেই ঘটনায় ছাগলের মালিক বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। এই বিষয়ে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল সংবাদ প্রকাশ করে। সবাই গতানুগতিক সংবাদ প্রকাশ করলেও সিলেট এডিশন, জাতীয় দৈনিক বিকাল বার্তা ও দৈনিক অভিযোগ বার্তা, জনমত টিভি, নামক আইডি দিয়েও সংবাদ প্রকাশ করা হয়। আটক সিএনজির মালিকের পরিচয় এবং গাড়ীর কাগজপত্রের মেয়াদ ফেইল নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে। সিএনজিতে স্টিকার লাগানো পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আটক সিএনজিটির প্রকৃত মালিক।আর রাসেল ঐ পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক যাহার ভাই দক্ষিণ সুরমার একজন চিহ্নিত ছিনতাইকারী,সে মোট ৩ বিয়ে করেছে, রাসেল এর বাবা ‘র ২ বিয়ে, রাসেল এর ও ২ বিয়ে। তাছাড়া ও রাসেল অনেক মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে, তাদের টাকা পয়সা আত্মসাৎ করেছে।বিয়ে কামলা নামেও সুপরিচিত রাসেল।
তার আপন বোন তাহমিনা স্বামী সংসার করতে পারেনি এক বাচ্চা সাথে নিয়ে
ডিভোর্সী,তখন বাবার বাড়ি সিলেটের লাউয়াই তার যায়গা হয় নি, নানার বাড়ির উঠানে তাহমিনা তার মা ও ছেলেকে নিয়ে টিনের কুঁড়েঘরে থাকে। মানুষের বাসা বাড়ির ভূয়া ও পতিতাবৃত্তি করে। তাহমিনা নতুন নাগর ধরেছে বিয়ানীবাজার এর এক যুবককে।
পুলিশের সত্য ঘটনাকে আড়াল করে পুলিশের উপর মানুষের ক্ষোভ বাড়াতে এবং পুলিশ বাহিনীকে বিতর্কিত করতে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা তাহার নিয়ন্ত্রীত অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও চ্যানেল ৩ লাইভ নামক পেইজে অপ-প্রচার চালিয়ে সত্য ঘটনাকে আড়াল করার বৃথা চেষ্টা করে। এরপর বিভিন্ন সাংবাদিকের ছবির সাথে তাহার প্রাক্তন কাবিনবিহিন স্ত্রীর ছবি এডিট করে অপপ্রচার চালিয়ে মান- সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলে।রাসেল লাকীকে মুল্লা দিয়ে বিয়ে করে, লাকীর ৬ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে,ও লাকীকে ঠকিয়েছে।
উল্লেখ্যে এর আগে ২০২৪ইং সালে রাসেল রুমনের অপকর্মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে অসহায় নারী লাকীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে। যদিও রাসেল রুমন তাদের মামলা গুলো ঠিকাতে পারে নি। আদালত নথিজাত করেছে।বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ও সংবাদ কর্মীদের উপর মামলা দিয়ে ও হয়রানী করেছে রাসেল, রুমন।আদালত তাদের মামলা নথিজাত করেছে।
আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে রাসেল- রুমন বহু বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে বড় অংকের চাদাঁ আদায় করে। এছাড়াও বিভিন্ন নিরীহ মানুষকে সিলেটের বিভিন্ন থানায় নারীনির্যাতন, চুরি ও ডাকাতির মামলায় আসামী করে হয়রানী করে এবং বড় অংকের চাদাঁ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। রাসেল এতো খারাপ যে, সে তার জন্মদাতা এবং মুক্তিযুদ্ধা পিতাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটিয়েছে। রাসেল হচ্ছে নারীলোভী ভন্ড প্রেমিক। সে তার সুন্দর চেহারা দেখিয়ে কমবয়সী ও মধ্য বয়সী নারীদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে বিয়ের প্রলোভনে তাদের ভোগ করে তাহার পতিতা বান্ধবীদের কাছে নিয়ে যায় তাহার বান্ধবীরা ফুসলিয়ে বিদেশ ভ্রমনে নিয়ে দেহব্যবসায় বাধ্য করায়। সেই ব্যবসার অংশ পায় রাসেল।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিস্ফোরক মামলার কোতোয়ালি বিবিধ সিআার মামলা নং ৭৫১/২৫ থাকলেও রাসেল ধাপটের সাথে লোকসমাজে বলে থানা তার পকেটে। সত্যি তো আজও রাসেলকে কোন থানা পুলিশ ধরছে না।