


নিজস্ব সংবাদদাতা
ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ৩২ নম্বর ওয়ার্ড চরকালীবাড়ি একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড। এখানকার মানুষ বছরের পর বছর পাকা রাস্তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ময়মনসিংহের ব্রিজ পেরিয়ে বাম পাশ দিয়ে নদী তীর বরাবর চরকালি বাড়ি একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।
এ রোডের একটি অংশে বিআরটিসি বাস ডিপো বিদ্যমান। এখানের রয়েছে জোট মিল ও ঐতিহ্যবাহী পীরবাড়ি। এখানে একটি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা ও রয়েছে। এই এলাকায় হাজার মানুষ হাজার হাজার মানুষ বসবাস করে। বিগত সরকারের আমলে এখানে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছিল। কিছু লোক তৎকালে রাস্তা না হওয়ার পক্ষে ভেটো দিয়েছিল। কারন তারা সরকারি জায়গা দখল করে আছে প্রায় ৪০ বছর যাবত। তারা সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাদের বিশ্বাস তারা জায়গার ক্ষতিপূরণ পাবে। কিন্তু স্হানীয় জনগণ সবাই জানে তারা কিছুতেই জায়গা বা ক্ষতিপূরণ পাবে না। বর্তমানে টেন্ডার হয়ছে ২৩ ফুট রাস্তা কার্পেটিং করা হবে। এখনকার এলাকাবাসী চাচ্ছে ড্রেন বাদ দিয়ে ২৩ ফুট রাস্তা পাকা হউক । মোট সরকারি দাগ কাটা আছে ৪৫ ফুট তারা নিজ থেকে ২৩ ফুট ক্লিয়ার না করলে ৪৫ ফুট নেওয়া হবেই, এটাই ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সিদ্ধান্ত। এলাকার কয়েকজন স্বার্থন্বেষী লোক রাস্তার জন্য জায়গা ছাড়ছে না।
এই কারণে এলাকার মানুষ ক্ষোবে ফেঁসে পড়ছে। সবাই বলছে এই এলাকার দুই একজন লোকের স্বার্থ রক্ষার জন্য হাজার হাজার মানুষের প্রয়োজনীয় পাকা রাস্তা হবে না এটা হতে পারে না। কয়েকজন লোক জানান যে এজন্য প্রয়োজনে মানববন্ধন করা হবে এবং মাননীয় সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র, মাননীয় বিভাগীয় কমিশনারকে অবহিত করা হবে। এই এলাকার জনগণ সবাই মিলে স্বার্থন্বেষী মহলের বিরুদ্ধে একত্রে লড়তে চান। তারা সবাই এই এলাকার উন্নয়ন চান। এতে করে উভয় পাশে নগরের সুষম উন্নয়ন সম্ভব হবে। মূল শহরে জনসংখ্যার চাপ কমবে ও এলাকায় শহরায়ন হবে। এলাকার জনগণ জানান সর্বোচ্চ সংখ্যক দখলদারকে বুঝিয়ে অবৈধ স্থাপনা ভাঙ্গানো হয়েছে।ভাঙ্গতে চাচ্ছেনা কয়েকজন তারা হলো হাবিব,হারুন গং,ডালিম গং, শহীদ মিয়া,আলতাব হোসেন। বর্তমানে প্রকল্পটির দায়িত্ব রয়েছেন আরএফএল কোম্পানি। চর কালীবাড়ি এলাকাবাসীর সবাই রাস্তা হওয়ার পক্ষেই রয়েছেন।
এলাকার জনগণ রাস্তা করার প্রয়োজনে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র ও বিভাগীয় কমিশনার মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। প্রয়োজনের সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে কয়েকটি স্থাপনা ভাঙ্গার পক্ষে তারা মতামত দিয়েছেন। তা না হলে এলাকার জনগণ বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।