1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদপেতে কাজ করছেন সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা রতন। - Barta24TV.com
রাত ২:১৫, বুধবার, ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদপেতে কাজ করছেন সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা রতন।

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
  • 438 Time View

সানজিদ মাহমুদ সুজন, শরীয়তপুর: শরীয়তপুরের কৃতি সন্তান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী, জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রশ্নে আপোষহীন, ৯০’র দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা এসএম আমিনুল ইসলাম রতন আওয়ামীলীগের আগামী জাতীয় সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে কাজ করে যাচ্ছেন। দলের চরম দুঃসময়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ তৃণমূলে নেতৃত্ব দেয়া রতনকে এবার আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দেখতে চায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। দলীয়সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯০–৯৯ পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্বে দিয়েছেন, ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি এনামুল হক শামীম। যিনি বর্তমানে শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী। ছাত্রলীগের তৎকালীন সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন অপু। যিনি বর্তমানে শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর বেপারী। ঐ সময়ে অনেক নেতাকর্মী স্বৈরাচারী এরশাদ, খালেদা জিয়া বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন।বিশেষ করে, বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের নির্যাতনে নিহত হয়েছেন, পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। কেউ কেউ আবার দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। তবে বারবার নানান অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েও আমিনুল ইসলাম রতন হার মানেন নাই। তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা একাধিক বার ছিনিয়ে নিয়ে এসেছেন।তারপরেও একাধিকবার কারাবরণ করেছেন। ১/১১তে বঙ্গবন্ধু কন্যা আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি ওই সময়ে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের টার্গেটে পরিণত হয়েছিলেন। এজন্য তাকে মাসের পর মাস নির্যাতনের ভয়ে পালিয়ে বেড়াতে হয়েছিল। তাকে না পেয়ে তার পরিবারের আত্মীয়স্বজনদের গ্রেপ্তার করে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। একারণেই তৃণমূলের নেতাকর্মীরা তাকে ভালবাসে। জানা গেছে, এস,এম আমিনুল ইসলাম রতন ১৯৮৮ সালে জাজিরা উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক, ১৯৮৯ সালে জাজিরা ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৯১ সালে শরীয়তপুর জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এরপর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (মঈন-ইকবাল)’র জাতীয় পরিষদ সদস্য, ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (শামীম-পান্না)’র কার্যকরী সদস্য, ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (বাহাদুর-অজয়)’র তথ্য ও গবেষণা সম্পাদকের দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেন। দীর্ঘদিন ছাত্র রাজনীতির পর ২০১৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদকের দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেন। ২০১৭ সাল থেকে তিনি শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। এছাড়াও শরীয়তপুরের জাজিরার রাজনীতিতে তার পরিবারের ভুমিকা ব্যাপক। তার পিতা মরহুম চেরাগ আলি সরদার দুই বারের বড়কান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার বড় ভাই এস,এম সিরাজুল ইসলাম সরদার দীর্ঘ ২৭ বছর চেয়ারম্যান হিসাবে সততা, নিষ্ঠা ও সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। সবকিছু বিবেচনায় রেখে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা এবার এসএম আমিনুল ইসলাম রতনকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিকে দেখতে চায়। শরীয়তপুর ও জাজিরার অনেক নেতাকর্মীরা বলেন, আমিনুল ইসলাম রতনের আরো আগেই দলীয় বড় পদ বা এমপি হওয়ার কথা ছিলো। তার ভাগ্যের দোষে তিনি আজও কিছু হতে পারেননি। এলাকাবাসীরা আরও বলেন, প্রবল একরোখা ও ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন রাজনৈতিক নেতা আমিনুল ইসলাম রতন। এবার মূল্যায়ন করা হোক, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটাই দাবি আমাদের। এব্যাপারে এসএম আমিনুল ইসলাম রতন বলেন, ছাত্রজীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক হিসেবে কাজ করে চলছি। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশ্নে কখনো আপোস করি নাই। আগামী নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা আবারও ক্ষমতায় আসবেন। পঞ্চমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে বিশ্বে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন৷ জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে আরও মূল্যায়ন করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category