1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
ঠাকুরগাঁওয়ে পিডিবির সম্পদ ও জিনিসপত্র হরিলুট - Barta24TV.com
রাত ২:৫০, বুধবার, ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে পিডিবির সম্পদ ও জিনিসপত্র হরিলুট

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, জুন ১১, ২০২২
  • 125 Time View

মোঃ সাইফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব সম্পত্তি দেখভাল আর তদারকির অভাবে হরিলুট চলছে। স্থানীয়রা যে যেভাবে পারছে সেভাবেই এ লুটে অংশ নিচ্ছে। স্থাপনার ইট খুলে বিক্রি করা হচ্ছে। পাশাপাশি কাঁটাতারের বেড়া, দরজা , জানালা, বৈদ্যুতিক তারও নিয়ে যাচ্ছে এরা। যারা এসব করছে অথবা ওদের কাছে যারা এসব মালামাল কিনে নিচ্ছে তারাও বিস্মিত কোন রকম বাধা না পেয়ে।

ঠাকুরগাঁও রোড এলাকার রেল স্টেশনের পশ্চিম পাশে কিছুদিন আগেও দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র সচল ছিল। এর একটি হল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব ১০.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ঠাকুরগাঁও ডিজেল পাওয়ার স্টেশন। অপরটি হল বেসরকারি মালিকানায় স্থাপিত পিকিং প্লান্ট আর জেড পাওয়ার লিঃ। ডিজেল পাওয়ার স্টেশনটি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বন্ধ ঘোষিত হবার পর এর সকল যন্ত্রপাতি টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করে দেয়া হয়। অপরদিকে আর জেড পাওয়ার লিঃ তাদের নির্ধারিত মেয়াদ পূর্তির পর বন্ধ ঘোষিত হলে এর মালামালও কর্তৃপক্ষ সরিয়ে নেন। দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রেরই লৌহজাত মালামাল সরিয়ে নেয়ার পর যে স্থাপনা ছিল তা অরক্ষিত হয়ে পড়ে। এ সুযোগে স্থানীয় লোকজন (বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির পাশে রেলওয়ের জমিতে বসবাসরত) লোকজন প্রকাশ্যেই সেসব স্থাপনা ভেঙ্গে বিক্রি করা শুরু করে। সীমানা প্রাচীর, কাঁটাতারের বেড়া, বৈদ্যুতিক তার, দরজা জানালা কোন কিছুই বাদ যায়নি তাদের হাত থেকে। প্রতি হাজার ইট ৫/৬ হাজার টাকায় প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে। এসব মালামাল নিজেদের দখলে নিতে বস্তির বাসিন্দারা প্রায়শই নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছেন। প্রথমদিকে ভয়ে ভয়ে রাতের অন্ধকারে এমন লুটপাট চললেও কোনদিক থেকে বাধা না পেয়ে প্রকাশ্য দিবালোকেও মেতে ওঠে লুটপাটে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সাথে কথা বলে জানা যায়, বস্তির সবাই এ কাজ করে না, দু চারজন করে। তাদের সবাই চিনে জানে, পিডিবির লোকও তাদের নাম জানে কিন্তু কিছু বলে না। এ জন্যই তারা সাহস পেয়ে গেছে।
ঠাকুরগাঁও বিদ্যুৎ বিভাগের (নেসকো লি:) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ এর সাথে কথা বললে, তিনি বলেন, বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীরা চলে যাওয়ার পর তারা আনসারদেরও তুলে নেয়। তারা সেভাবে ঐ এলাকাটি বুঝে দেয়নি। কোন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কি না এমন প্রশ্ন করলে তিনি জানান, না- সেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটি এখন নেই কিন্তু জমি এবং স্থাপনা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব সম্পত্তি । সেই সম্পত্তি দেখভাল এবং তদারকির অভাবে এমন লুটপাট হবে তা মেনে নিতে পারছেন না এলাকার সাধারণ মানুষ। তারা অবিলম্বে দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category