

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট:
সিলেটের দরগা গেইট এলাকার 'জালালিয়া ইরফানিয়া আবাসিক হোটেল'-এ অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকা অবস্থায় এক নারী ও এক পুরুষকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। গত ৭ জুলাই এই ঘটনাটি ঘটে।
আটককৃতরা হলেন— সেলিম (পিতা: আব্দুল গফুর, গ্রাম: বড়ই ছড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া) এবং সোমা বেগম (ঠিকানা: ব্রাহ্মণবাড়িয়া)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জনতার হাতে আটক হওয়া এই দুইজনের বিরুদ্ধে একটি নন-জিডি (মামলা) নথিভুক্ত করা হয়েছে, যার নম্বর ১৫৭৬/২৬, তারিখ: ০৭/০৭/২০২৬।
সিন্ডিকেটের ধামাচাপা ও সাংবাদিক লাকীর ওপর সাইবার হামলা
ঘটনাটি ঘটার পর স্থানীয় দালাল আরিফ ও আক্তার তার শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু মাঠপর্যায়ের সাহসী সাংবাদিক লাকী'র বস্তুনিষ্ঠ ও আপসহীন অনুসন্ধানের কারণে সত্য ঘটনাটি সংবাদ আকারে প্রকাশ্যে আসে।
তবে সত্য প্রকাশ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে জালালিয়া ইরফানিয়া আবাসিক হোটেল এর ওই অপরাধী চক্র। সংবাদ প্রকাশের পর থেকে বেশ কয়েকটি স্বার্থান্বেষী ফেইসবুক পেইজ থেকে সাংবাদিক লাকীকে লক্ষ্য করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। দালাল চক্রের ইন্ধনে
সাংবাদিকের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এই সাইবার বুলিং ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।
এসময় দৈনিক অভিযোগ বার্তা'র সম্পাদক সিআরবির এম্বাসাডর ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম ফিরোজ আহামেদ বলেন, প্রতিটা গণমাধ্যমকর্মির সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করার অধিকার আছে আর কেউ যদি মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্হা নেওয়ার অধিকার আছে যেহেতু
সত্য সংবাদ প্রকাশ করায় দৈনিক অভিযোগ বার্তা ও দৈনিক যুগ যুগান্তর পএিকার সিলেট ব্যুরো প্রধান সাংবাদিক লাকীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিমুলক নোংরা ও মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এসময় সিলেটের গনমাধ্যমকর্মিরা বলেন "সত্যের কণ্ঠরোধ করতেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে এই মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো ফেইসবুক পেইজ ও এর পেছনের মূল হোতাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।"
স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন সমাজ সাংবাদিক লাকীর পাশে আছেন এবং অনতিবিলম্বে এই দালাল আরিফ ও আক্তার সিন্ডিকেটের সাইবার অপরাধ বন্ধে প্রশাসনেরহ কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। সাংবাদিক লাকী ও দ্রুত এই ফেইজগ্রুপ বা বিভিন্ন পেইজের বিরুদ্ধে আইনী প্রক্রিয়ায় যাবেন।