1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
ভারতের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ - Barta24TV.com
রাত ৩:৪১, রবিবার, ১৫ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২৬
  • 16 Time View

স্পোর্টস ডেস্কঃ

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে দুই অর্ধে আজ দুই রকম বাংলাদেশের দেখা মিললো। প্রথমার্ধে ভারতের রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ শানালেও দ্বিতীয়ার্ধে তেমনটা পারেনি বাংলাদেশ। পিছিয়ে পড়েও তাই ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়াই বাংলাদেশের প্রাপ্তি।

মালদ্বীপের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-ভারতের ম্যাচটি ড্র হয়েছে ১-১ গোলে। দুটি গোলই হয়েছে প্রথমার্ধে। সপ্তদশ মিনিটে বিশাল যাদবের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর এই অর্ধের যোগ করা সময়ে বাংলাদেশকে সমতায় ফেরান আব্দুল রিয়াদ ফাহিম।

ভারতের বিপক্ষে এই ড্রয়ে ‘বি’ গ্রুপ রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশ। দুই দলের সমান ৪ পয়েন্ট করে হলেও গোলগড়ে এগিয়ে গেছে ভারত। প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ পেয়েছে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন নেপালকে। যাদেরকে ২০২৪ সালের ফাইনালে ৪-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল লাল সবুজের দল। আর দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারত মোকাবিলা করবে ভুটানকে। নকআউটের দুটি ম্যাচই হবে আগামী ১ এপ্রিল।

এদিন শুরু থেকে জমে ওঠে লড়াই। বাংলাদেশ চাপ দিতে থাকে ভারতের রক্ষণে। দ্বাদশ মিনিটে কর্নারে আশিকুর রহমানের হেড অল্পের জন্য ক্রসবারের উপর দিয়ে যায়।

খেলার ধারার বিপরীতে সপ্তদশ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। কর্নার থেকে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন বিশাল যাদব। যোগ করা সময়ে ক্রসে জদ্রিক আব্রামচান্সের প্লেসিং লক্ষ্যে থাকেনি, ফলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নিতে পারেনি ভারত।

রেফারির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ জানিয়ে যোগ করা সময়ের শুরুর দিকে ভারতের গোলকিপার কোচ সন্দীপ নন্দী লালকার্ড দেখেন। এর একটু পরই সমতার স্বস্তি ফেরে বাংলাদেশের শিবিরে। রোনান সুলিভানের কর্নার দূরের পোস্টে থাকা আব্দুল রিয়াদ ফাহিম নিখুঁত প্লেসিং শটে লক্ষ্যভেদ করেন।

বিরতির পর বাংলাদেশের রক্ষণের পরীক্ষা নিয়েছে ভারত। ৬৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার ভালো সুযোগও পেয়েছিল তারা। তবে গোলকিপার মাহিন এ যাত্রায় বাঁচান বাংলাদেশকে। বদলি ডিফেন্ডার আব্দুল রিয়াদ ফাহিম বক্সের সামনে ভুল করে বল তুলে দেন ভারতের ওমাং দোদুমের পায়ে। বল পেয়ে দুজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বিপদসীমায় ঢুকে পড়েন তিনি। তবে ভারতীয় ফরোয়ার্ড শট নেওয়ার আগেই এগিয়ে এসে তাঁকে আটকে দেন গোলকিপার মাহিন।

৮১ মিনিটে বক্সে থাকা নাজমুল ফয়সালকে দারুণ পাস দেন সানি দাস। তবে ফাঁকায় থাকা বাংলাদেশ ফরোয়ার্ড বলের নিয়ন্ত্রণই নিতে পারেননি। ৮৭ মিনিটে রোনানের শট পোস্টের অনেক বাইরে দিয়ে যায়।

৯০ মিনিটে বিপদ থেকে আরেকবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। মাঝ মাঠ থেকে বল নিয়ে রিসি সিং পাস বাড়ান ওমাং দোদুমকে। তাঁকে ট্যাকল করতে গিয়ে পড়ে যান বাংলাদেশের ডিফেন্ডার মিঠু। এরপর সামনে বাঁধা ছিল একমাত্র গোলকিপার মাহিন। যদিও শট নিতে দেরি করায় বলের নাগাল হারান ভারতীয় ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্র মেনে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতা এ পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-১৮, ১৯ ও ২০ ক্যাটাগরিতে মাঠে গড়িয়েছে সাতবার। ভারত চার বার, নেপাল দুই এবং বাংলাদেশ একবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ২০২৪ সালে অনূর্ধ্ব-২০ ক্যাটাগরিতেই নেপালকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে সেরা হয়েছিল বাংলাদেশ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category