

মোঃ নিশাদুল ইসলাম নিশাদ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বর্ণিলআয়োজন আর নান্দনিক সাজসজ্জায় নতুন বছরকে বরণে প্রীতিসম্মিলনী করেছে আবৃত্তি শিক্ষা ও সাংগঠনিক চর্চার প্রতিষ্ঠান তিতাস আবৃত্তি সংগঠন। মঙ্গলবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত শহরের ফুলবাড়িয়া রামাদিঘির পাড় কবিতা উঠোনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। ২২ বছরের ধারাবাহিকতায় এবারের প্রীতিসম্মিলনীর কর্মসূচির মধ্যে ছিলো শুভেচ্ছা কথন,কবিতাপাঠ, আবৃত্তি, নৃত্য,সঙ্গীত ও ষোলোআনা বাঙালিয়ানায় প্রীতিভোজ ।
তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার দাসের সভাপতিত্বে ও সহকারী পরিচালক সুজন সরকার, আবৃত্তিশিল্পী ফাহিমা সুলতানার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন আবৃত্তিশিল্পী ও সংগঠক রেজা এ রাব্বি। আলোচনা করেন খেলাঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নীহার রঞ্জন সরকার, তরী বাংলাদেশর আহবায়ক শামীম আহমেদ, পরিবেশ ও নদীকর্মী সোহেল রানা ভূঞা , সোনালী সকালের সভাপতি ফাহিম মুনতাসীর, কবির কলমের সভাপতি কবি তিতাস হুমায়ুন, ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রধান সমন্বয়ক সাবের হোসেন।
সঙ্গীত পরিবেশন করেন সোহাগ রায়, ফারদিয়া আশরাফি নাওমী, অর্পা মিত্র ভৌমিক,অর্পণ মিত্র ভৌমিক । আবৃত্তি পরিবেশন করেন আনিসুর রহমান, ফারদিয়া আশরাফি নাওমী, রেজা এ রাব্বি, তাসফিয়া ইসলাম প্রমি,ফাহিমা সুলতানা,জয়শ্রী বিশ্বাস, লুবাবা মাহজুজা,স্বন্দন কর কাব্য।
ধন্যবাদ বক্তব্যে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানেন প্রীতিসম্মিলনীর অন্যতম সংগঠক আনিসুর রহমান।বর্ষবরণের প্রীতিসম্মিলনী উপলক্ষে পুরো কবিতা উঠোনকে সাজানো হয় বর্ণিলভাবে। আঁকা হয় চমৎকার আল্পনায়। তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের সহকারী পরিচালক সুজন সরকার বলেন, তিতাস আবৃত্তি সংগঠন সৃষ্টির পর থেকেই বাঙালির সার্বজনীন উৎসব বর্ষবরণ উদযাপনে প্রীতিসম্মিলনী সহ নানারকম বর্ণিল আয়োজন করে আসছে। এ আয়োজনের মাধ্যমে আমরা নতুন পুরাতন সদস্যরা প্রাণের টানে মিলিত হই।
আবৃত্তিশিল্পী ও সংগঠক আনিসুর রহমান বলেন, নতুন বছরকে আমরা ঐতিহ্যগত আয়োজনে বরণ করতে চেষ্টা করেছি। আবহমান বাংলার সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে এ আয়োজন আরো ছড়িয়ে দিতে হবে।