


নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে করা এক আবেদন গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
রোববার, ৮ মার্চ ২০২৬ বিচারপতি মো জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে ওই আসনের বিজয়ী প্রার্থীসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের প্রতি সমন জারি করা হয়েছে।
নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগ আমলে নিয়ে হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) ঢাকা-১৬ আসনের রেজাল্টশিট, ব্যবহৃত ব্যালট পেপারসহ সকল নির্বাচনী সরঞ্জামাদি জরুরি ভিত্তিতে নিজস্ব হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী গঠিত নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা-১৬ আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বিএনপি নেতা আমিনুল হক। নির্বাচনের ফলাফলে তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেনের কাছে ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।
আব্দুল বাতেন পেয়েছিলেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট এবং আমিনুল হক পেয়েছিলেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
উল্লেখ্য যে, আমিনুল হক নির্বাচনে জয়ী হতে না পারলেও বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন বা নতুন সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর (টেকনোক্র্যাট) দায়িত্ব পালন করছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, শুধু ঢাকা-১৬ নয়, ইতিমধ্যে ১৫ জনেরও বেশি প্রার্থী বিভিন্ন আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।
বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চ এই সকল আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন। প্রতিটি আবেদনের ক্ষেত্রেই নির্বাচনী সরঞ্জামাদি যথাযথভাবে সংরক্ষণের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (সংশোধন) অনুযায়ী, নির্বাচনের পর কোনো অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা নিষ্পত্তির এখতিয়ার এই বিশেষ ট্রাইব্যুনালের।আদালতের এই আদেশের ফলে ঢাকা-১৬ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল নিয়ে নতুন করে আইনি বিতর্ক শুরু হলো।