

লাকী আক্তার সিলেট থেকেঃ
সিলেটের বিছনাকান্দি সীমান্তের গডফাদার শ্রমিক দল নেতা হেলালের নেতৃত্ব ভারতীয় গরু মহিষ, চিনি, জিরা কসমেটিকস, অস্ত্র, ইয়াবা,ফেনসিডিল ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে,যাহার নেতৃত্ব দিচ্ছেন হাদারপার বাজার ইজারাদার গোলাম হোসেন ও বিছনাকান্দি গডফাদার হেলাল গং সহ আরো ৬/৭ জন|
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় বিছনাকান্দি সীমান্তে গোয়াইনঘাট থানার পুলিশের লাইনম্যান গোলাম হোসেন ও বিছনাকান্দি সীমান্তের বিজিবি লাইনম্যান ফরিজুল হেলাল গং দের নেতৃত্ব প্রত্যক ভারতীয় গরু,মহিষের গাড়ি থেকে ৪/৫ হাজার চাঁদা নেওয়া হয়,স্থানীয় এক ব্যক্তি নাম বলতে ইচ্ছুক না তিনি আমাদের কে জানান বিছনাকান্দি বিট অফিসার কাজী আশরাফুলের সহযোগিতায় হেলাল গং পুলিশের লাইনম্যান হিসাবে টাকা উত্তোলন করেন,শ্রমিক দল নেতা হেলাল শুধু ভারতীয় গরু,মহিষ, চিনি,জিরাসহ মানব পাচারসহ পিয়াইন নদীর বালু বিছনাকান্দির পাথর অবৈধ ভাবে পাচার করে থাকে বিছনাকান্দি সীমান্তে দিয়ে।
০৫ তারিখের পর এক আতংকের নাম বিছনাকান্দি সীমান্তে হেলাল গোলাম হোসেন গং,তাদের বিরুদ্ধে পূর্বে গোয়াইনঘাট থানা একাধিক মাদক অস্ত্র মামলা থাকা স্বত্তে তারা দাপটের সাথে বিছনাকান্দি সীমান্তে চুষে খাচ্ছে,শুধু তাই নয় শ্রমিক দল নেতা হেলাল গোয়াইনঘাট থানার মামলা বানিজ্য এক গডফাদার, বিছনাকান্দি বিট অফিসার কাজী আশরাফুলের সহযোগিতা সাধারন মানুষ প্রতিবাদ করলে হেলাল গং থানা গিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে থাকে,তাই এলাকার কেউ হেলাল গং বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না,মাস কয়েক আগে বিজিবি অভিযানে হেলাল গং দের ৩ কোটির টাকার ভারতীয় অবৈধ গরু,মহিষ, জব্দ করে, পরে ১কোটি ৯০ লক্ষ টাকা নিলামে আবার সেই গরু,মহিষ হেলাল গোলাম হোসেন গং ক্রয় করেন,স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এখন নাকি বিজিবি লাইনম্যান হেলাল গং,এভাবে গোলাম হোসেন হেলাল গং ত্রাসের রাজত্ব গড়ে তুলেছে বিছনাকান্দি সীমান্তে।