1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহনে ব্যবসার পায়তারা, - Barta24TV.com
সকাল ৮:৪৭, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহনে ব্যবসার পায়তারা,

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
  • 274 Time View

ইয়াছিন আলী খান দোয়ারা বাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি। সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারণ ৩৫ একর জমি কমমূল্যে কিনে সরকারের সঙ্গে ব্যবসা করতে তৎপর হয়েছে একটি মহল। বিষয়টি অনুধাবন করে সোমবার সুনামগঞ্জ সদর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার সাব রেজিস্টারকে চিঠি দিয়ে সুনামগঞ্জ সদরের কাঠইর ও শান্তিগঞ্জের জয়কলস মৌজায় উচ্চ মূল্যে জমি রেজিস্ট্রি নিষেধ করে চিঠি করেছেন জেলা প্রশাসক। গেল ১৭ সেপ্টেম্বর পরিকল্পনা মন্ত্রীসহ জেলার সংসদ সদস্যগণ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের কাঠইর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের জয়কলস মৌজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি নির্ধারণ করেছেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে জেলা প্রশাসক জমি বাছাই করে সংসদ সদস্যদের অবহিত করেন। শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের জয়কলস মৌজায় সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের জমি চূড়ান্ত হওয়ায় এই এলাকার জমির মূল্য বেড়ে গেছে। বিশ^বিদ্যালয়ের জন্য জমি অধিগ্রহণের এই খবর শুনে সরকারের সঙ্গে জমির ব্যবসা করতে তৎপর হয়ে ওঠেছে একটি পক্ষ। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পছন্দ করা জমি কম মূল্যে কিনে সরকারের সঙ্গে ব্যবসা করতে চাইছে। বিষয়টি জেনে জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন সোমবার সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সাব রেজিস্টার ও শান্তিগঞ্জের সাব রেজিস্টারকে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেছেন, যেহেতু জয়কলস ও কাঠইর এই দুই মৌজায় সরকারের পক্ষ থেকে সহসাই জমি অধিগ্রহণ করা হবে। ওখানে উচ্চ মূল্যে কোন জমি রেজিস্ট্রি করা যাবে না। রেজিস্ট্রি অফিসের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, কাঠইর মৌজায় সরকারের নির্ধারণ করা জমির মূল্য হচ্ছে, প্রতি শতাংশে বোরো জমি চার হাজার একশ ৬২ টাকা, আমন জমি ১৪ হাজার তিনশ টাকা, বাড়ী-পুকুর ৮৫ হাজার দুইশ ৮১ টাকা, চারা নয় হাজার চারশ ৩৮ টাকা এবং ডোবা পনের হাজার টাকা। জয়কলস মৌজায় বাড়ী-পুকুর ৩৬ হাজার একশ ৪১ টাকা, চারা বিশ হাজার তিনশ ৬৭ টাকা, আমন ৫২ হাজার একশ ২৬ টাকা ও লায়েক পতিত ১২৭৯ টাকা। সরকারের নির্ধারণ করা এই মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে জমি রেজিস্ট্রি দেখিয়ে সরকারের কাছ থেকে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ আদায় করার চেষ্টা করছে একটি মহল। স্থানীয় লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল ওদুদ বললেন, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজের জমি অধিগ্রহণের সময়ও এই ধরণের চেষ্টা হয়েছে। এবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণের খবর শুনেই এক শ্রেণির কিছু মানুষ তৎপর হয়েছে। জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি প্রদীপ পাল নিতাই বললেন, জেলা প্রশাসকের চিঠির উধৃতি দিয়ে সোমবার আমাদেরকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে, আমরা যাতে এই বিষয়ে সতর্ক থাকি। শান্তিগঞ্জ উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূর আলম বললেন, জয়কলস মৌজায় উচ্চ মূল্যে জমির দলিল না দেখানোর জন্য সোমবার রেজিস্টারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বললেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের জন্য ৭৫ একর জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা আরও বেশি অধিগ্রহণের প্রস্তাব করেছি। নির্দেশনা পেলে বেশি অধিগ্রহণ হবে, না হয় দ্রুতই ৭৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে কেউ যাতে ব্যবসা না করতে পারে, সেজন্য রেজিস্টারদের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে উচ্চ মূল্যে জমি রেজিস্ট্রি করতে নিষেধ করা হয়েছে। তারা সরকারের স্বার্থ সংরক্ষণ করতেই এই নির্দেশনা মানতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।