1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা,বিএমএসএস'র নিন্দা - Barta24TV.com
সকাল ৯:৪৯, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা,বিএমএসএস’র নিন্দা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৬, ২০২৪
  • 188 Time View

 

বার্তা টোয়েন্টি২৪ টিভি নিউজ ডেস্ক : সংবাদ প্রকাশের জেরে বরগুনার তালতলী উপজেলার এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। রবিবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন বরগুনার তালতলী উপজেলার এক ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. গোলাম ফারুক মামলার অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি জানিয়েছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী নাজমুল হাসান।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক হলেন নাইম ইসলাম। তিনি তালতলী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালবেলা পত্রিকার তালতলী উপজেলা প্রতিনিধি।

মামলার বাদী মো. রুহুল আমিন তিনি উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা।

মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী নাজমুল হাসান জানান, গত ২৭ নভেম্বর কালবেলা অনলাইনের ইউটিউব চ্যানেলে ‘অফিসকে সংসার বানিয়েছেন ভূমি কর্মকর্তা!’ শিরোনামে ভিডিও সংবাদ প্রকাশ হয়। পরদিন ওই সংবাদ নিজের ফেইসবুক আইডিতে শেয়ার করেন বিবাদী। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। বাদীর অভিযোগ, ভিডিওতে বিভিন্নজন বাজে মন্তব্য করে। এতে তার মানসম্মান ক্ষুণ্ন হয়। ভিডিও সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানালে বিবাদী তা অস্বীকার করেন। তখন আমতলী বিচারিক হাকিম আদালতে নালিশি অভিযোগ দেন বাদী। পরে বিচারিক হাকিমের নির্দেশে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন তিনি।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক নাঈম ইসলাম বলেন, তালতলী উপজেলার কড়াইবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তদন্ত রিপোর্ট দাখিল, সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ইচ্ছেমতো টাকা আদায় এবং ভূমি অফিস দখল করে পরিবার নিয়ে বসবাস করাসহ নানা অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে মোসা. খালেদা নামে স্থানীয় এক নারী তার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী দুর্নীতি দমন কার্যালয়ে এমন অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করেছি এর জেরে ধরে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন এই ভূমিকার কর্মকর্তা। মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানান তিনি।

উক্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে মামলা হওয়ায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান মহাসচিব সুমন সরদার,যুগ্ম মহাসচিব এস এম ফিরোজ আহাম্মদ সহ সকল কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নিন্দা জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।