1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
শেরপুরে অবৈধ জাল পোড়ানোর সময় অগ্নিদগ্ধ ৩ - Barta24TV.com
সকাল ৬:৪৬, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে অবৈধ জাল পোড়ানোর সময় অগ্নিদগ্ধ ৩

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, জুলাই ২৬, ২০২২
  • 123 Time View

মোঃ জুলহাস উদ্দিন হিরো, বিশেষ প্রতিনিধি শেরপুর।

শেরপুরের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অবৈধ মাছ ধরার চায়না ও কারেন্ট জাল জব্দ করে পোড়ানোর সময় সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির কারণে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৩ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের ইলশাঘাট এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। আহতরা হচ্ছেন স্থানীয় মোঃ ইনসার আলীর ছেলে মোঃ ইয়াকুব আলী (৪০), মৃত ধুইলতা মিয়ার ছেলে মোঃ ছাউত মিয়া ও মোঃ শিয়ালু মিয়ার ছেলে মোঃ জবেদ আলী। তারা ৩ জনই বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অন্যদিকে ওই ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাথে থাকা কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। স্থানীয় ও আহতদের স্বজনরা জানায়, জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে জেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে মঙ্গলবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উজ্জল হোসেন, জেলা মৎস্য অফিসের সহকারী পরিচালক সুলতানা লায়লা তাসনীম ও সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মমতাজুন্নেছাসহ সংশ্লিষ্টরা শেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে চায়নাদুয়ারী ও কারেন্ট জালসহ ১০টি অবৈধ জাল জব্দ করেন। পরে সেগুলো ভাতশালা ইউনিয়নের ইলশাঘাট এলাকায় জড়ো করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে ফেলার উদ্যোগ নেন। ওইসময় স্থানীয় ইয়াকুব আলী, ছাউত মিয়া ও জবেদ আলী সেগুলো পুড়ানোর জন্য সহযোগিতা করতে পেট্রোল ও ডিজেল ঢালেন। তবে তারা নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার আগেই কেউ একজন জালে আগুন ধরিয়ে দিলে ওই ৩ জন অগ্নিদগ্ধ হয়। পরে তাদের পাশর্^বর্তী নদীর পানিতে চুবিয়ে আগুন নিভিয়ে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। এদিকে ওই ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাথে থাকা কর্মকর্তাদের প্রায় এক ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, ভাতশালা ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুন নাহার ও লছমনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাইসহ অতিরিক্ত পুলিশ স্থানীয় অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করে তাদের উদ্ধার করে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।তবে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল হক ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উজ্জল হোসেন জানান, নিয়ম অনুযায়ী জালগুলো জড়ো করে ব্যানার টানিয়ে ছবি ও ভিডিও করার প্রস্তুতির সময় আদালতের নির্দেশ ছাড়াই সেখানে পেট্রোল ঢেলে স্থানীয় একজন আগুন জ¦ালিয়ে দিলে সেই আগুনে ৩ জন সামান্য দগ্ধ হয়েছেন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা করানোরও আশ^াস দেওয়া হয়েছে। তবে মৎস্য অফিস বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের কেউ আগুন দেয়নি। জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. অমিয় জ্যোতি সাইফুল্লাহ জানান, আহতদের মধ্যে ২ জনের শরীরের প্রায় ১৫-১৮ ভাগ পুড়ে গেছে, আর অপরজনের ৫/৭ ভাগ পুড়েছে। তবে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। বর্তমানে তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া জানান, খবর পেয়ে সদর থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরুদ্ধ হওয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ অন্যান্যদের উদ্ধার করেছে। বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।