1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
রাতের আঁধারে ইটপাটকেল ছুঁড়ে বাড়িঘরে হামালা - Barta24TV.com
সকাল ৮:৪৪, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাতের আঁধারে ইটপাটকেল ছুঁড়ে বাড়িঘরে হামালা

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৩
  • 200 Time View

দোয়ারায় প্রতি পক্ষের দেয়া আগুনে পোড়িয়ে দেয়া হলো গো- খাদ্য নিরাপত্তা হীনতায় প্রবাসী পরিবার লোকজন

 

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধিঃ

দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের করালিয়া গ্রামে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী শাকিল আহমদ এর পরিবারের লোকজন। খড়ের ঘরে আগুন লাগানোর অভিযোগে দোয়ারাবাজার থানায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী আফ্তাব উদ্দিন। সাবেক ইউপি সদস্য গিয়াস উদ্দিনের লাটিয়াল বাহিনীর তান্ডবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। গত কয়েক বছর যাবৎ গিয়াস উদ্দিনের লাটিয়াল বাহিনীর তান্ডব ও মামলা হামলায় জর জড়িত এলাকার নিরিহ পরিবারের লোকজন।

সরেজমিনে উপস্থিত হলে স্থানীয় ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসী শাকিল আহমদ ও গিয়াস উদ্দিনের পরিবারের মধ্যে হামলা মামলা চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। পুর্ব শত্রুতার জেড়ে প্রবাসীর আত্মীয় স্বজন অসহায় করালি গ্রামের লোকজন।

গত সোমবার রাতে একই মহল্লার রহমত আলীর পুত্র আপ্তাব উদ্দিনের খড়ের ঘরটি আগুন লাগিয়ে জালিয়ে দিয়েছে- প্রতিপক্ষ সাবেক ইউপি সদস্য গিয়াস উদ্দিনের পুত্র রাজ উদ্দিন ও হুশিয়ার মীরের পুত্র তোফায়েল মীর সহ তাদের লোকজন। তাদের ভয়ে এলাকার লোকজন কেউ মুখ খোলতে রাজি হয়নি।

এছাড়াও একই গ্রামের প্রবাসীর ভাই আশিক মিয়া জানান, প্রতিরাতে আমাদের বাড়ির টিনের চালে রাতের আঁধার ইটপাটকেল ছুঁড়ে, ভয়ে কেউ ঘর থেকে বাহিরে যেতে পারছিনা। একটু ঘুমিয়ে পরলে দরজা জানালায় লাথি মারিয়া পরিবারের মহিলাদেরকে আতংকিত করে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে প্রতিপক্ষের লোকজনেরা। তারা উগ্র ও দাঙ্গাবাঁজ প্রকৃতির লোক হওয়ায় প্রতিনিয়ত নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন আমাদের পরিবারের লোকজন।

এব্যাপারে লন্ডন প্রবাসীর বয়োবৃদ্ধ মা মোছাঃ আয়ফুল বেগম জানান, প্রতিরাত আমার বসত ঘরের চালে ইটপাটকেল ছুঁড়ে আমাদের পরিবারে আতংক বিরাজ করছে। আমাদের গ্রমের সাবেক মেম্বার ভাড়াটিয়া ডাকাত এনে বাড়িঘর ডাকাতি করানোর ও দিয়েছেন।

দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ দেবদুলাল ধর জানান, আগুনে পুড়ি দেয়া স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। এব্যারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্তপুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।