1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
রাঙ্গাটুঈী ইউনাইটেড মহিলা ফুটবল একাডেমি ঠাকুরগাঁও এর গর্ব, - Barta24TV.com
সকাল ৯:৪২, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গাটুঈী ইউনাইটেড মহিলা ফুটবল একাডেমি ঠাকুরগাঁও এর গর্ব,

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, জুলাই ২৯, ২০২২
  • 111 Time View

মোঃ সাইফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ;

ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলায় ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগে ঠাকুরগাঁও জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেয়েরা হয়ে উঠেছে ফুটবলার। এলাকার ক্রীড়ানুরাগী অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়েদের নিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে হোসেন গাঁও ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামে গড়ে তুলেছেন রাঙ্গাটুঙ্গি ইউনাউটেড মহিলা ফুটবল একাডেমি নামে একটি মহিলা ক্রীড়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ক্লাবটিকে প্রতিষ্ঠার পর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে এই ক্লাবে ৫৪ জন নারী ফুটবলার রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪ জন বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন। তারা হলেন অনন্য মুরমু বীথি, কোহাতী কিসকু, স্বপারাণী ও সোহাগী কিসকু। তাদের এই অর্জন ঠাকুরগাঁও এর জন্য গর্বের ও আনন্দের। ক্লাবের হয়ে এযাবৎকালে মোট ১২ জন নারী ফুটবলার জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। এছাড়াও বর্তমানে ক্লাবটির ১৭ জন খেলোয়ার বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। সম্প্রতি ক্লাবের দুজন খেলোয়ার কাকলী আক্তার ও ইশরাত জাহান ঈশিতা বাংলাদেশের হয়ে পর্তুগালে অনুষ্ঠিতব্য একটি ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যাচ্ছেন।
দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে ক্লাবটির রয়েছে অসংখ্য অর্জন। ফুটবল দিয়ে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘রাঙ্গাটুঙ্গি ইউনাইটেড মহিলা ফুটবল একাডেমি’ ২০১৭ সালে পেয়েছে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’। ক্লাবটি রাণীশংকৈলের জঙ্গলবিলাস নামের একটি মাঠে অনুশীলন করে থাকে। মাঠটি সরকারি খাস খতিয়ানভূক্ত একটি জমি যার আয়তন প্রায় আট একর বিরাশি শতক। ক্লাবটির বিশাল বড় মাঠ থাকলেও নেই কোন চেঞ্জ রুম/ড্রেসিংরুম ও ওয়াশরুম। মেয়েদেরকে অনেক দূরে অবস্থিত একটি কক্ষে খেলাধুলার জন্য প্রস্তুতি নিতে হয় যা নারী ফুটবলারদের জন্য একটি কষ্টসাধ্য বিষয়।
কিছুদিন পূর্বে ক্লাবটি পরিদর্শনে যান ঠাকুরগাঁও জেলার সম্মানিত ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক জনাব, মোঃ মাহবুবুর রহমান। এ সময় তিনি ক্লাবটিকে একটি ওয়াশব্লক সহ চেঞ্জরুম দেয়ার আশ্বাস দেন এবং ক্লাবের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। এছাড়াও তিনি মাঠের সীমানা নির্ধারণ করে ও সংরক্ষণ করে যে কোন রকম বেদখল হওয়া বন্ধ করা হবে মর্মে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। তিনি জানান, ক্লাবের যে কোন প্রয়োজনে সরকার সব সময় ক্লাবটির পাশে থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।