1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
মোটরসাইকেল মালিকদের আতঙ্কের জেলা জামালপুর - Barta24TV.com
সকাল ৭:১০, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মোটরসাইকেল মালিকদের আতঙ্কের জেলা জামালপুর

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জুন ২, ২০২২
  • 297 Time View

রাসেল রানা
জামালপুর

বুধবার ১লা জুন ৮:০০ মিনিটে শহরের পশ্চিম ফুলবাড়ীয়া এলাকায় সাংবাদিক শেখ ফজলে রাব্বির বাসার গেইট থেকে তার মটরসাইকেল চুরি হয়।নিজের অতি প্রয়োজনীয় ও শখের মোটরসাইকেলটি হারিয়ে অনেকটাই বেকায়দায় রয়েছেন তিনি।

তিনি জানান ‘মোটরসাইকেল আসলে একটা প্রয়োজনীয়, জিনিস। আমার মোটরসাইকেলটা চুরি হয়ে গেছে। এর জন্যে আমি সঠিক সময়ে কোথাও যেতে পারছি না। কাজ কর্ম ঠিক মত করতে পারছি না। প্রশাসনের উচিৎ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা।’

মোটরসাইকেল মালিকদের জন্য আতঙ্কের জেলা এখন জামালপুর। জামালপুরে প্রায় প্রতিদিনই মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটছে। প্রকাশ্য দিবালোকে এমন চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্ক ও শঙ্কায় রয়েছেন অন্যান্য মোটরসাইকেল মালিকরাও।
স্থানীয়দের দাবি, গত কয়েক মাসে জামালপুর শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্ধশতাধিকের বেশী মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। অধিকাংশ চুরির ঘটনা ঘটেছে প্রকাশ্য দিবালোকে। অতি প্রয়োজনীয় ও শখের মোটরসাইকেল চুরি যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন চালকেরা। চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ চোরদের আইনের দ্রুত আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

গত ফেব্রুয়ারি মাসের ৭ তারিখ দুপুরে শহরের বোষপাড়া এলাকায় ঠিকাদার তারিফ হোসেনের বাড়ির নিচে থেকে তার মোটরসাইকেল চুরি হয়।

জামালপুর প্রেসক্লাব ভবনের নিচে থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি করেন দুই ব্যাক্তি। এই চুরির ঘটনা ধরা পড়ে সিসিটিভি ক্যামেরায়। এই ঘটনায় মোটরসাইকেলটির মালিক শিপলু চাকলাদার মামলা দায়ের করেছেন থানায়। শিপলু বলেন, ‘১২ মার্চ জামালপুর প্রেসক্লাব ভবনের ভিতর থেকে আমার পালসার মোটরসাইকেল চুরি হয়। ভিডিও ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও চোরকে এখনও ধরা হয়নি।’

জামালপুরের সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ‘জামালপুরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সম্প্রতি সময়ে প্রতিদিন প্রায়ই প্রকাশ্য দিবালোকে মোটরসাইকেল চুরি করছে। আমাদের দাবি, জামালপুরে এই যে মোটরসাইকেল চুরির যে ভয়াবহ উৎসব , তা দ্রুত প্রতিরোধ করা হোক।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।