1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
মানিকগঞ্জে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর:-নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য যে প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন নির্বাচন কমিশন তা নেবে। - Barta24TV.com
সকাল ৮:১৬, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মানিকগঞ্জে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর:-নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য যে প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন নির্বাচন কমিশন তা নেবে।

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, মে ২০, ২০২২
  • 319 Time View

 

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, প্রকৃতপক্ষে ৩০০ আসনে ইভিএম পদ্ধতিতে নির্বাচন নিয়ে আমরা চিন্তা-ভাবনা করিনি। নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠান আমাদের প্রথম লক্ষ্য। সংখ্যাগতভাবে আমাদের যে ইভিএম আছে তা ১১০ আসনে ভোটগ্রহণের সক্ষমতা রয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর ইভিএমে আস্থা ফিরলে এই সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে।

 

আজ শুক্রবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে মানিকগঞ্জে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম-২০২২ উদ্বোধন শেষে নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশন বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে নিয়ে আসা বা নির্বাচনে না নিয়ে আসা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয়। কে নির্বাচনে আসলো বা না আসলো সেগুলো দেখবে সরকার রাজনৈতিক দলগুলো।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, ইভিএমে কোনো ত্রুটি আছে কিনা তা শনাক্ত করতে জুন মাসের মধ্যে বিশেষজ্ঞ দলকে ডাকা হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মূখে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। বিশেষজ্ঞ মতামতের পরই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যাবহার করা হবে কিনা তা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমাদের যে ইভিএমগুলো আছে,আমরা যতটুকু দেখেছি তাতে কোন ত্রুটি আমরা এখন পর্যন্ত পাইনি। যে সমস্থ্য রাজনৈতিক দলগুলো এটার ত্রুটি আছে বলছেন আমরা চেষ্টা করছি এই বিষয়ে যারা অভিজ্ঞ তাদের আগামী জুনের মধ্যে ঢাকায় এনে তারা ইভিএমগুলো পরীক্ষা করবেন। ইভিএম মেশিন পরীক্ষা যারা করবেন তাদের যেন সকল রাজনৈতিক দল বটে সকল সচেতন ব্যক্তিরা তাদের চিনেন। তারা ইভিএমগুলো পরীক্ষানিরিক্ষা করে জানাবেন মেশিনে কোন ত্রুটি আছে কিনা।
নির্বাচন কমিশন বলেন, ইতিপুর্বে ইভিএম মেশিনে যে নির্বাচনগুলো হয়েছে কোথাও কিন্তু নির্বাচনের পরে ইভিএম নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়নি। ইভিএম মেশিনের কারনে তারা হেরেছেন কোন মেয়র বা কাউন্সিলর কমিশনে এমন অভিযোগ করেনি। বরং আমাদের কাছে অন্য আবেদন আসে যে আমাদের এখানে ইভিএম দেন। কারন ইভিএম মেশিন থাকলে আমার অনেক প্রার্থী আমাদের কাছে আবেদন করেন।

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, সংবিধান অনুযায়ি নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা। সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা সংবিধানে বলা আছে। রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে নিয়ে আসা বা না আসা, তা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়, তা সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর বিষয়।

 

নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য যে প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন নির্বাচন কমিশন তা নেবে। ‘যাঁর ভোট তিনি দেবেন, যাঁকে খুশি তাঁকে দেবেন’ এ বিষয়টি নিয়ে কমিশন কাজ করছে। এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করা গেলে রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা ফিরে আসবে। নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ হলে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে অংশ নেবে।

 

জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফের সভাপতিত্বে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন,জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান ও মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম ছারোয়ার প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।