1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
বিরল রোগে আক্রান্ত হা: জাকারিয়াকে চিকিৎসা বাবদ ৭ লক্ষ ১১ হাজার ৯শত ৫৭ টাকা দেওয়া হয়েছে - Barta24TV.com
সকাল ৯:২০, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিরল রোগে আক্রান্ত হা: জাকারিয়াকে চিকিৎসা বাবদ ৭ লক্ষ ১১ হাজার ৯শত ৫৭ টাকা দেওয়া হয়েছে

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, মে ১৪, ২০২৪
  • 25 Time View

সংবাদদাতাঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন কসবা উপজেলাস্থ শ্যামবাড়ীর হা: ক্বারী জাকারিয়া বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থতায় ভুগছেন। এমতাবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একঝাঁক হাফেজে কুরআন তাঁর সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন। এবং পরিচিত ব্যক্তিবর্গদের থেকে উনারা তাঁর চিকিৎসা বাবদ সর্বমোট ৭ লক্ষ ১১ হাজার ৯শত ৫৭ টাকা

ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

 

এ টাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুসিয়া মাদরাসার মুহতামিম মুফতি মুবারকুল্লাহ ও শায়খ সাজিদুর রহমান সাহেব দা:বা: এর উপস্থিতিতে তাঁর পরিবার ও এলাকার জনপ্রতিনিধির উপস্থিতে তাঁর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এসময় মুফতি আমীর হামজা লিখিত বক্তব্য পাঠে বলেন, হাফেজ কারী জাকারিয়া মায়েস্থেনিয়া গ্রেভিস নামক একটি বিরল রোগে আক্রান্ত৷ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আলেম সমাজ এর পক্ষ থেকে মুফতী আমির হামজা একটি ফেসবুকে পোস্ট করেন তার চিকিৎসার  সহযোগিতা চেয়ে ,তারই পরিপ্রেক্ষিতে দেশ ও প্রবাস থেকে বিভিন্ন মানুষ মানবিক ডাকে সাড়া দিয়ে সহযোগিতা করেন৷ সর্বমোট অনুদান পাওয়া যায় ৭ লক্ষ ১১ হাজার ৯শত ৫৭ টাকা যার মধ্যে চিকিৎসা বাবদ, ইন্ডিয়া যাতায়াতের জন্য ২টি পাসপোর্ট বানানো সহ বিভিন্ন খাতে খরচ হয় মোট ২ লক্ষ ৬১ হাজার ৭৫টাকা।

লিখিত খরচ তার হাতে দেয়া হয়েছে। খরচ করার পর সর্বমোট অবশিষ্ট ৫ লক্ষ ৫ হাজার ৭শত ৮২ টাকা তাঁর হাতে তাঁর পরিবার, স্থানীয় মেম্বার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একঝাঁক উলামায়ে কেরাম এর উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ টাকা হস্তান্তর করা হয়।

দেশ বিদেশ থেকে অনুদানকৃত অর্থ দিয়ে হাফেজ জাকারিয়াকে উন্নত চিকিৎসা দিতে স্থানীয় হাফেজ আলেমদের সমন্বয় করে চিকিৎসা টিম গঠন করা হয়, চিকিৎসা টিমের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে ইন্ডিয়া নেওয়ার সিদ্ধান্ত করে ২টি পাসপোর্ট করে ভিসার আবেদন করা হয়,কিন্তু হাফেজ জাকারিয়ার গাফিলতির কারনে ভিসার আবেদন কেন্সেল হয়ে যায়৷ পরবর্তীতে বাংলাদেশে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়৷

চিকিৎসা টিমে যারা ছিলেন, মাওলানা কামাল উদ্দিন দায়েমী, মাওলানা গাজী ইয়াকুব উসমানী,।হাফেজ ক্বারী আবু ইউসুফ উবাইদি, মাওলানা তোফায়েল আহমেদ নুমান, হাফেজ মাওলানা ক্বারী সফিক আজিজী, মুফতি আমির হামজা, হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ কাফী, হাফেজ মাওলানা ইফতিখার জামীল ও মাওলানা আশরাফ আল মাহমুদ ৷

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।