1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
বাঘা-চারঘাট -৬ আসনে ১৫ ও ১ বছরের এমপির সঙ্গে ভোট যুদ্ধ - Barta24TV.com
সকাল ৯:১৫, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাঘা-চারঘাট -৬ আসনে ১৫ ও ১ বছরের এমপির সঙ্গে ভোট যুদ্ধ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ডিসেম্বর ২০, ২০২৩
  • 182 Time View

এম ইসলাম দিলদার,বাঘা প্রতিনিধি: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী -৬ (চারঘাট-বাঘা) সংসদীয় আসনে টানা তিন বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সাথে ভোট যুদ্ধে নেমেছেন সাবেক সংসদ সদস্য সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের চার জন প্রার্থী। ভোটাররা জানান, নির্বাচনে ভোটযুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামীলীগ বনাম আওয়ামীলীগের মধ্যে।আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো: শাহরিয়ার আলম এর সাথে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র ) প্রার্থী আলহাজ্ব রায়হানুল হক রায়হানের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে তাদের ধারণা।

এদিকে তফসিল ঘোষণার পর থেকেই চারঘাট-বাঘা দুটি উপজেলার গ্রামে গ্রামে জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন। প্রতীক বরাদ্দের পরপরই সকল প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় নেমেছেন। তবে ফুরফুরে মেজাজে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন সরকার দলের টানা তিন বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম । তার পাশাপাশি দুই উপজেলার আওয়ামী লীগ সহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নৌকা প্রতীকের প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী রায়হানুল হক রায়হানের পক্ষে প্রকাশ্যে গ্রামে গঞ্জে গনসংযোগ শুরু করেছেন বাঘা উপজেলার চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাড লায়েব উদ্দিন লাভলু, বাঘা পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আক্কাস আলী, পাকুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেরাজুল ইসলাম মেরাজ সহ চারঘাট উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বিপ্লব।

দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে। সেসময় আওয়ামীলীগের প্রার্থী আতোয়ার রহমান তালুকদার এ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচন হন। এরপরের দুই নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী নুরুন্নবী চাঁদ পরপর দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন । পরে এ আসনটি বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। দীর্ঘ সময় পড়ে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মো: শাহরিয়ার আলম বিএনপির প্রার্থীকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে প্রথম বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে টানা তৃতীয় বারের মতো নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন তিন। এবার চতুর্থবারের মতো নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন তিনি। তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২০০০ সালের উপনির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব রায়হানুল হক রায়হান। তিনি ১ বছর সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামসুদ্দিন রিন্টু, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মহসিন আলী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জাসদ এর জুলফিকার মান্নান জামী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন এর আব্দুস সামাদ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন।

চারঘাট-বাঘা উপজেলার বিভিন্ন খাতে গত ১৫ বছরে অসংখ্য উন্নয়ন এর পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে নানামুখী মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইতিমধ্যে সর্বস্থরের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও রাজশাহী -৬ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো শাহরিয়ার আলম। এছাড়াও তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে সরকার থেকে ১৫ বছরে যে সম্মানী ভাতা পেয়েছেন তার সব টুকু অর্থ এলাকার গরীব শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যয় করেছেন। সব মিলিয়ে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে নিজেকে মেলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। চলমান এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চারঘাট-বাঘার জণগণ আবারও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম কে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধিনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষতার ইতিহাস সৃষ্টি করবে বলেও তারা মনে করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।