1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
বরগুনায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হচ্ছেন জাহাঙ্গীর কবীর - Barta24TV.com
সকাল ৭:১০, বৃহস্পতিবার, ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বরগুনায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হচ্ছেন জাহাঙ্গীর কবীর

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২
  • 284 Time View

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি:-মোঃ সারোয়ার

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: জাহাঙ্গীর কবীর। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনার স্বাক্ষরিত ১১ সেপ্টেম্বর সমর্থিত পত্র পেয়েছেন।

জানা যায়, বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮ সেপ্টেম্বর বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের ৭ জন এবং আওয়ামী লীগ ঘরোনার ২ জন চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। তারা হল, বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি এলিচ নিজাম, সাধারণ সম্পাদক মো: জাহাঙ্গীর কবীর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব মৃধা, আব্বাস হোসেন মন্টু মোল্লা, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম মজিবুল হক কিসলু, সদস্য অ্যাডভোকেট মো: শাহজাহান, অ্যাডভোকেট জিয়া উদ্দিন হিমু, সাবেক সদস্য মো: আবদুল মোতালেব মিয়া, ও জামাল উদ্দিন বিশ্বাস।

১৩ সেপ্টেম্বর জেলা আওয়ামীলীগের সভায় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা দলের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখিয়ে বৃহস্পতিবার বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমানের নিকট মো: জাহাঙ্গীর কবিরের একটি মাত্র মনোনয়ন ফরম দাখিল হয়। এ সময় অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশিরা দলীয় প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন।

এক সাক্ষাতকারে মো: জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, আমি ৫০ বছর অধিক সময় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছি। আমি ও আমার পরিবার কোন দিন আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাইনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনকের হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে কারা বরণ করেছি। আওয়ামী লীগের দুর্দিনে আমি পিছপা হইনি। একবার জেলা পরিষদের প্রশাসক ছিলাম। আমার আমলে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। তিনি কৃতজ্ঞতা জানান দলের নেতা কর্মি ও

ভোটারদের প্রতি। কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন, যারা মনোনয়ন চেয়েছিল তাদের প্রতি। তারা আমার সম্মানে কেহ মনোনয়ন ফরম জমা দেয়নি। আমি চাই আগামী সব নির্বাচনে আমরা ঐক্য থাকব। আমি সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চাই। আমি কৃতজ্ঞ বরগুনার দুইজন মাননীয় সংসদ সদস্যের প্রতি।

এ ব্যাপারে বরগুনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দিলীপ কুমার হাওলাদার বলেন, একক প্রার্থীর ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ২৫ সেপ্টেম্বর পরদিন বেসরকারী ভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। পরে গেজেট জারি করবে নির্বাচন কমিশন। তবে মো: জাহাঙ্গীর কবীর নামে একজনই মনোনয়ন ফরম দাখিল করেছেন। সংরক্ষিত ২ টি আসনের বিপরীতে ৮ জন ও সাধারণ সদস্য ৬ জনের বিপরীতে ২৩ জন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, মনোনয়ন বাছাই হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। আপীল ১৯ সেপ্টেম্বর। প্রত্যাহার ২৫ সেপ্টেম্বর ও ভোট গ্রহন ১৭ অক্টোবর। মোট ভোটার সংখ্যা ৬১৬ জন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।