1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
ফিলিস্তিনি দখলদার ইসরাইলের গণহত্যার বিরুদ্ধে ভোলা দৌলতখানে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ - Barta24TV.com
সকাল ৯:২১, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফিলিস্তিনি দখলদার ইসরাইলের গণহত্যার বিরুদ্ধে ভোলা দৌলতখানে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৩
  • 95 Time View
জামাল খান জেলা প্রতিনিধি।।

ফিলিস্তিনিদের উপর বর্রবর ইসরাইলি বাহিনীর ভয়াবহ বিমান হামলায় মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকা ধ্বংস ও নির্বিচারে গণহত্যার প্রতিবাদে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় দৌলতখান ওলামা আইম্মা ঐক্য পরিষদ আয়োজন এ ভোলা দৌলতখান মধ্য বাজার এ বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

 

প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে হাজার হাজার ধর্মপ্রান মুসলমান সহ দৌলতখান এর বড় বড় কওমী মাদ্রাসা দৌলতখান সরকারি কলেজ ও বিভিন্ন স্কুল কলেজ অংশ গ্রহণ করেন। বিক্ষোভ শেষে দৌলতখান মধ্য বাজার থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

 

মিছিলপূর্ব সমাবেশে দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ বলেন, আল আকসা মুসলমানদের পূণ্যভূমি। এটি মুসলিম উম্মাহর সম্পদ। এ সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব শুধু ফিলিস্তিনিদের নয়, গোটা মুসলিম উম্মাহর। আট দশক ধরে গাজা দখল করে দখলদাররা হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে আসছে। ইসরাইলকে দিয়ে পশ্চিমারা পুরো মধ্যপ্রাচ্য অশান্ত করে রেখেছে। স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া ফিলিস্তিন সমস্যার কোনো সমাধান হবে না। বিক্ষোভ মিছিলটি দৌলতখান মধ্য বাজার থেকে দক্ষিণ মাথা হয়ে থানা মোড় দিয়ে গিয়ে বাজার চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।

 

মাওলানা রুহুল আমীন সাহেব এর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মাওলানা শামসুদ্দিন সাহেব চরশুভী মাদ্রাসা, মাওলানা নুরুল্লা সাহেব চরখলিফা মাদ্রাসা, মাওলানা মাহবুবুর রহমান সাহেব চরশুভী মাদ্রাসা, মাওলানা মুছলেহ উদ্দিন সাহেব চরখলিফা মাদ্রাসা, কারী ইব্রাহিম সাহেব কাট্রপট্রি মাদ্রাসা, সালাহ উদ্দিন সাহেব আশরাফুল উলুম মাদ্রাসা, মাওলানা আবুল কাশেম সাহেব চরশুভী মাদ্রাসা, মাওলানা ফয়জুল্লাহ সাহেব দৌলতখান বাজার, মাওলানা আনোয়ার নুর মিয়ার হাট, মাওলানা আরিফুল ইসলাম সাহেব সেক্রেটারি দৌলতখান উলামা আইম্মা ঐক্য পরিষদ, এর সমাপনী বক্তব্যে মাওলানা ফয়জুল্লাহ সাহেব পরিচালক চরখলিফা মাদ্রাসা, এর মুনাজাত এর মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিল সমাপ্তি হয়।

 

এ সময় বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, চলমান হামলা ও সহিংসতার জন্য ইসরাইল দায়ী। অবিলম্বে এ আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। অবিলম্বে ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। স্বাধীন রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠা ছাড়া ফিলিস্তিন সমস্যার কোনো সমাধান হবে না। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দখলদার ও মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোঁড়াখ্যাত ইসরাইলের বিষদাঁত উপড়ে ফেলতে হবে।

 

তারা আরো বলেন, দশকের পর দশক ধরে মানবতাবিরোধী ও মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী রাষ্ট্র ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের ওপর নিপীড়নের স্টিম রোলার চালিয়ে আসছে। এ অবস্থায় ইসরাইলের দুর্ভেদ্য প্রতিরক্ষাব্যবস্থার অহঙ্কারকে গুঁড়িয়ে দিয়ে মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিরা তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে নিতে নতুন ভাবে যে মিশন শুরু করেছে আমরা তার সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করছি এবং তাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি।

 

তারা বক্তব্যে আরোও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্যালেস্টাইনকে নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনাসহ জনগণের ওপরে ইসরাইলি নৃশংসতার প্রতিবাদে প্যালেস্টাইন গর্জে উঠেছে। এটা তাদের ন্যায্য সঙ্গত সংগ্রাম। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ, ইসরাইলে মার্কিন সমরাস্ত্র প্রদান, নৌবহর প্রেরণসহ সব সহায়তা বন্ধ ও স্বাধীন প্যালেস্টাইনের দাবিতে বিশ্ববাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।