1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
পাউবো’র কাজে ব্যাপক অনিয়ম, কাজ বন্ধ করে দিলেন এলাকাবাসী! - Barta24TV.com
রাত ২:৩২, শনিবার, ৪ঠা মাঘ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পাউবো’র কাজে ব্যাপক অনিয়ম, কাজ বন্ধ করে দিলেন এলাকাবাসী!

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, আগস্ট ১২, ২০২২
  • 191 Time View

মাঠবাড়িয়া নিজস্ব প্রতিবেদক

পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলায় দেবীপুর  ইসলামীয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় ০৩/০৮/ ২০২২ খ্রি. তারিখ রোজ রবিবার কর্মচারী নিয়োগে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ রয়েছে।

কর্মচারী নিয়োগ কে কেন্দ্র করে অত্র মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল, মোঃ আলাউদ্দিন এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন লোকের কাজ থেকে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ রয়েছে।

এমনই একজন ভুক্তভোগী চাকুরি প্রত‍্যাশী মোঃ শাহাদাত, পিতা মোসলেম মিয়া, গ্রাম তেঁতুল বাড়িয়া, সাফা বন্দর, মঠবাড়িয়া তাদের অভিযোগ চাকুরি দেওয়ার কথা বলে ভিটে বাড়ি ছাগল গরু সহ সব কিছু বিক্রি করে চাকুরীর আশায় ভাইস প্রিন্সিপাল এর কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা, এবং আড়াই কেজি মিষ্টি দিছি , তিনি বলছেন চাকুরি দেবেন , এখন আমার ছেলের চাকুরী হলো না, আর সব কিছু শেষ করে আমরা এখন নিঃস্ব আর চাকুরির জন্য টাকা নিছে তা দায় নাহ, তাই আমরা সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দিছি তিনি বলছেন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

আরেক ভুক্তভোগী চাকুরী প্ৰত‍্যাশী মোসা:-রেহেনা বেগম, পিতাঃ বাদশা মোল্লা, গ্রামঃ বাশবুনিয়া,সাফা বন্ধর, মঠবাড়িয়া, তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন ভাইস প্রিন্সিপাল আমাকে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে আমার কাজ থেকে ৩৩ হাজার টাকা নিছে এখন আমার চাকুরী হয় নি, আর টাকা ও দায় নি, আজ নাহ হয় কাল দেব বলে গুঁড়ায়, তিনি আরও বলেন আমি এই দুর্নীতি বাজ শিক্ষকের কঠিন শাস্তি চাই।

ওপর এক ভুক্তভোগী চাকুরী প্রত‍্যাশী মোঃ রেদোয়ান, পিতাঃ মোঃ ফারুক দফাদার তিনি বলেন, আমার কাছ থেকে ভাইস প্রিন্সিপাল দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা নিছে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে কিন্তু আমার চাকুরি হয়নি, তিনি টাকা নিয়ে বাথরুম পাকা করছেন, আর টাকা দিতে এখন গড়িমসি করে ।

এ নিয়োগের ব্যাপারে অত্ৰ এলাকায় খোঁজ নীলে এলাকার অনেক লোক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এর আগের নিয়োগে ও এই রকম টাকা পয়সা নিয়ে শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন, আর এখন কর্মচারী নিয়োগে অনেকের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিছে তারা টাকা চাইলে টালবাহানা করে আজ নাহ হয় কাল দিবো বলে চাকুরী প্রত্যাশীদের গুড়ায়, তিনি একজন দুর্নীতি বাজ শিক্ষক, তারা আরও বলেন এই দেবীপুর ইসলামীয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা অত্ৰ মঠবাড়িয়া উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, তিনি এই মাদ্রাসার ভাব মূর্তি নষ্ট করছে, এটার কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত।

এ ব্যাপারে জানার জন্য অত্ৰ মাদরাসার প্রিন্সিপাল সাহেব কে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে অত্র ৩ নং মিরু খালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আবু হানিফ সাহেবের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি শুনেছি ভাইস প্রিন্সিপাল সাহেব টাকা পয়সা নিছে এবং চাকুরী প্রত্যাশী সভাপতি কাছে লিখিত অভিযোগ দিছে এবং সভাপতি কে বলা হইছে এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে অত্ৰ মাদ্রাসার সভাপতি, এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন অভিযোগ পাইছি, এবং অভিযোগের ভিক্তিতে অত্ৰ মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মোঃ আলাউদ্দিন সাহেব কে কারন দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি, নোটিশের জবাব পাইলে, এবং তদন্ত করে দুষী সাব‍্যস্ত হলে বিভাগীয় ব‍্যবস্হা নেওয়া হবে।

অত্ৰ নিয়োগ বাণিজ্যের ব্যাপারে মঠবাড়িয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন এ ব‍্যপারে আমার জানা নেই অভিযোগ পেলে ব‍্যবস্হা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

পত্নীতলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ভুয়া ডাক্তারের জেল ও জরিমানা মোকছেদুল ইসলাম জেলা প্রতিনিধি (নওগাঁ) নওগাঁ পত্নীতলায় উপজেলায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এন এস আই) এর তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ভুয়া ডাক্তার সন্জিত কুমারকে জেল ও অপর ভুয়া ডাক্তার রতন কুমারকে ৫০ হাজার ও ক্লিনিকের পরিচালক প্রদিপ কুমারকে ৫০ হাজার টাকা টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার চকনিরখীন ঠুকনি পাড়া মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভুয়া ডাক্তার রতন কুমার মন্ডলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়, নজিপুর পুইঁয়া এলাকায় ডক্টরস্ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে ডাক্তারি সনদপত্রের প্রমাণাদি দেখাতে না পারায় সন্জিত কুমারকে ২ মাসের জেল এবং ক্লিনিকের পরিচালক প্রদীপ কুমারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কমিশনার (ভূমি) আজিজুল কবীর। এ সময় সাথে ছিলেন এন এস আই নওগাঁর উপপরিচালক মোস্তাক আহমেদ ও সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শামীম হোসেন সহ পুলিশ সদস্যরা প্রমূখ। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজিজুল কবীর বলেন, রোগীদের জীবন নিয়ে কাউকে খেলা করতে দেওয়া হবেনা। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

‎নাটোরে সাংবাদিককে প্রাণ নাশের হুমকি দিলো কলেজের মাস্টার হারুন ‎ ‎মো: রেজাউল করিম ‎নাটোর জেলা প্রতিনিধি ‎ ‎গভীর নলকূপের হিসাব লইয়া নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা লইয়া দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি করে হারুন অর রশিদ ও তার গ্রুপ। আমি মো: রেজাউল করিম, আমি জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার ও দৈনিক অগ্রযাত্রা পত্রিকার নাটোর জেলা প্রতিনিধি।এছাড়াও নাটোর কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের সদস্য। তখন আমি সাংবাদিক হিসাবে সেখানে খবর তৈরীর জন্য গেলে গত ০৬/০১/২৫ইং তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ৭.৩০ ঘটিকার সময় চন্দনপুর ঈদগাঁ এলাকায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া মাত্রই এই  হারুন ও তার আসামী সহ তাহার পালিত অন্য আসামীগন সংবাদকর্মী হিসেবে আমাকে দেখিয়া প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হয় এবং আসামীগণের হাতে থাকা বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র-সন্ত্র যেমন- বাঁশের লাঠি, কাঠের বাটাম, লোহার রড, ধারালো হাসুয়া লইয়া আমাকে মারপিট, খুন জখমের জন্য আক্রমণ করে। আমার সহিত ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আমার ক্যামেরা পারসন মোহন আমাকে উদ্ধারে আগাইয়া আসিলে তামিম,হাসান ও হিমেল মোহনের হাতে থাকা ক্যামেরা কেড়ে নিয়ে ভাংচুর করে এবং মোহনের মোবাইল ফোন ও তাহার পকেটে থাকা নগদ ৬,৫০০/= টাকা কেড়ে নেয়। এই সময় আসামীগন আমার উপর মারপিট করিয়া আমার পকেটে থাকা আশা সমিতির কিস্তির ৯,৭৫০/= টাকা আসামীগন বাহির করিয়া নেয়। ইহাতে আমার চোখের উপর ফোলা কালশিরা, কপালে কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। আমি ও আমার ক্যামেরা পারসন আত্মরক্ষার্থে ডাক চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ও সাক্ষীগণ আগাইয়া আসিলে আমি প্রাণে রক্ষা পাই। আসামী আমাকে মারপিট, খুন জখম করিতে না পারিয়া প্রকাশ্যে হুমকি দেয় যে, “ভবিষ্যতে যদি আর কখনও তোকে আমার এলাকায় দেখি, যেখানে পাইবো সেখানেই মারপিট, খুন জখম করিবো” মর্মে হুমকি দেয়। বিষয়টি স্থানীয় ও জাতীয় পত্রপত্রিকা, টিভি চ্যানেল, ফেসবুকে প্রচারিত হইলে আমার ১ কোটি টাকার মান-ইজ্জত হানি হইয়াছে। আমি একজন সাংবাদিক হিসাবে আমার পেশাগত মানহানিও হয়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের নিকট আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করে হয়রানি করবে বলে সুনাম ক্ষুন্ন করছে। ঘটনার সাক্ষী আছে, আমি বিচার চাই। ‎ ‎ উপস্থিত গ্রামবাসির নিকট, সাক্ষীদের নিকট ও আমার পেশাগত কলিগ ও সাংবাদিকদের নিকট মানহানি হয়েছে। প্রায় ১০০ জন লোক ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। ‎ ‎৫০০/৫০৬(11)/৪৯৯/৫০৪/৫০৩/৫০৬ ধারা মোতাবেক আসামীগনের বিরুদ্ধে আদেশ দ্বারা পুলিশ দ্বারা ধৃত করতঃ জেল হাজতে আবদ্ধ রাখিয়া সাক্ষী প্রমানের মাধ্যমে সুবিচার দাবি করেন সাংবাদিক  মো: রেজাউল করিম। ‎ ‎এই মামলার তদন্ত পিবিআই কর্মকর্তার নিকট প্রদান করা হয়