1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
নেত্রকোনা জেলা শাখার কনজিউমার রাইটস্ সিআরবি'র আহ্বায়ক কমিটি গঠিত - Barta24TV.com
সকাল ১০:১৪, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনা জেলা শাখার কনজিউমার রাইটস্ সিআরবি’র আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১০, ২০২২
  • 286 Time View

ডা. আজাদ খান,জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

ভলান্টারি মোভমেন্ট কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ-সিআরবি নেত্রকোনা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে।

নিরাপদ খাদ্য নাগরিক অধিকার, বাস্তবায়নে দায় সবার’ শিরোনাম বাস্তবায়নে কাজ করছে।
নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা বিধানে ও ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ সংশোধন ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় “ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ মন্ত্রণালয়” প্রতিষ্ঠার দাবীতে ভলান্টারি মুভমেন্ট কাউন্সিল অব কনজিউমার রাইটস্ সিআরবি’র কাযক্রম নেত্রকোনা জেলায় সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
সাংগঠনিক কাযক্রম বাস্তবায়নে গঠন করা হয়েছে নেত্রকোনা জেলা শাখার এগারো সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি।
কমিটিতে আহ্বায়কের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে নেত্রকোনার জেলাজুড়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ, সূদীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন,,,,, মানবাধিকার কর্মী, উদীয়মান গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, নেত্রকোনার দায়িত্বশীল সাংবাদিক নেতা, আহ্বায়ক আলী আগজর (পনির) কে, সদস্য সচিব করা হয়েছে, নেত্রকোনার আরেক জনস্বার্থের অতন্দ্র প্রহরী বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতা মোঃ মিস্টার নাসির উদ্দিনকে।

এছাড়া আহ্বায়ক কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন, নেত্রকোনার আরেক জনস্বার্থের অতন্দ্র প্রহরী সাংবাদিক নেতা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নেত্রকোনা জেলার নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন, যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন- মোহাম্মদ মেহেদী, আতিকুর রহমান, মোঃ শফিকুল ইসলাম আকন্দ, গোলাম শাহাদাত, সিরাজুল ইসলাম, শাহজাহান কবির, রিয়াদ, শামীম আহমেদ।

সদস্য সচিব মোঃ মিস্টার নাসির উদ্দিন, এই প্রতিবেদককে বলেন- আমি বিশ্বাস করি এই আহ্বায়ক কমিটির সুদক্ষ নেতৃবৃন্দের সুযোগ্য নেতৃত্বে নেত্রকোনার ভোক্তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে জনসচেতনতা আর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে অচীরেই সাফল্যের মুখ দেখতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ। তিনি ভোক্তা অধিকার বাস্তবায়নের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন। পরিশেষে যাদের উৎসাহ, অনুপ্রেরণায় কনজিউমার রাইটস্ সিআরবি নেত্রকোনা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন পেলাম- সাজেদুর রহমান ফিরোজ, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও চেয়ারম্যান কনজিউমার রাইটস-সিআরবি কেন্দ্রীয় কমিটি, ডিজাইনার কেজিএস সবুজ, প্রতিষ্ঠাতা, প্রধান নির্বাহী-সেলফ এইড ও কেন্দ্রীয় মহাসচিব, কনজিউমার রাইটস্ সিআরবি, সিআরবি’র ঢাকা বিভাগীয় এম্বাসেডর ও কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ এর মহাসচিব মহোদয়ের বিশেষ দূত ও অভিযোগ বার্তা’র সম্পাদক/প্রকাশক এবং আইপি টিভি বার্তা২৪ টিভি’র চেয়ারম্যান, এসএম ফিরোজ আহাম্মদ, কনজিউমার রাইটস্ সিআরবি, জামালপুর জেলা কমিটির সভাপতি ও গণমাধ্যম, মানবাধিকার কর্মী, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংগঠন ই-প্রেস ক্লাবের উদ্যোক্তা, আহ্বায়ক এবং জামালপুর জেলা প্রধান ডা. মোঃ শফিকুল ইসলাম আজাদ খান সহ সিআরবি’র কেন্দ্রীয় কমিটি সাথে প্রত্যেক জেলা/উপজেলা শাখার সকল নেতৃবৃন্দের প্রতি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচছা এবং সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।