1. abkiller40@gmail.com : admin : Abir Ahmed
  2. ferozahmeed10@gmail.com : moderator1818 :
নীতি-নৈতিকতা ও জনপ্রিয় নেতা বনাম যোগ্য নেতা - Barta24TV.com
সকাল ৮:৩৮, মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নীতি-নৈতিকতা ও জনপ্রিয় নেতা বনাম যোগ্য নেতা

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, জুন ২৯, ২০২২
  • 261 Time View

-ইকবাল আহমেদ লিটন: আমাদের দেশে বিভিন্ন এলাকায় অনেক ‘জনপ্রিয়’ নেতা আছেন। এই জনপ্রিয়তার নানা কারণ আছে। কেউ কেউ আছেন, চুরি-চামারি করলেও এলাকাবাসীর সঙ্গে থাকেন। নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ করেন। কেউ বা আবার এলাকার টাউট-বাটপার-গুণ্ডা-বদমাশ গুলোকে হাতে রাখেন। কিন্তু এলাকার একজন জনপ্রিয় নেতা যে সত্যিকার অর্থেই সৎ এবং ভালো মানুষ, জনকল্যাণে কাজ করেন, টাকার লোভ নেই- এমনটা আমাদের দেশে একেবারেই বিরল। এখন প্রশ্ন হলো, আমরা কেমন নেতা চাই? তিনি কি জনবান্ধব হবেন, কর্মীবান্ধব, নাকি পরিবারবান্ধব হবেন? কর্মীবান্ধব নেতা বলতে মানুষ বুঝে থাকে, নেতা তার কর্মীর ডাকে সাড়া দেওয়া বা তাদের বিপদে পাশে থাকা, নিয়মিত খোঁজখবর রাখা, ইত্যাদি। কিন্তু আমরা যদি আওয়ামী লীগকেই ‘স্যাম্পল’ হিসেবে নিই, তাহলে দেখা যাবে অসংখ্য কর্মীর দোহাই দেওয়াটা হাইকমান্ড বা নেতাদের একটা কমন বাহানা আছে। বর্তমানে কর্মীদের খোঁজ নেওয়ার মতো নেতা নেই বললেই চলে।

এবার আসা যাক জনবান্ধব প্রসঙ্গে, জনবান্ধব হওয়া তো আরও কঠিন। তারা যেটা পারেন এবং করেন সেটা হলো পরিবারবান্ধব হওয়া। এতে খুব বেশি কষ্ট নেই। কর্মীদের দেন দলের দোহাই, আর দলকে দেন কর্মীদের দোহাই। এভাবে উভয় স্থান থেকে বিচ্যুত হয়ে সে কেবল নিজের আখের নিয়েই ব্যস্ত থাকতে পারেন। কিন্তু এমন নেতা দিয়ে কি আমাদের সমাজকে এগিয়ে নেয়া যাবে? রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ভেঙ্গে ফেলা সম্ভব হবে?? মনে রাখা দরকার যে, রাজনীতির সঙ্গে ‘নীতি’ কথাটা যুক্ত আছে। নীতি হলো কিছু আদর্শ নিয়মকানুন। অতীতে আমরা দেখেছি যারা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন, তারা নীতি- নৈতিকতার চর্চা করেছেন। রাজনীতিবিদদের মানুষ শ্রদ্ধা করতো। তাদের কথায় জীবন উৎসর্গ করতেও দ্বিধা বোধ করতো না। রাজনীতি ছিল একসময় দেশ ও মানুষের সেবা করার সবচেয়ে উত্তমপন্থা। যারা রাজনীতির খাতায় নাম লেখাতেন তারা আত্মস্বার্থ কখনো বিবেচনায় রাখতেন না। দেশ-জাতি এবং মানুষের কল্যাণই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য। তারা জাতির কল্যাণ সাধনায় ব্রতী হয়ে নিজেদের দিকে তাকানোর সময় পেতেন না। জনগণের স্বার্থকে সবার উপরে স্থান দিয়ে সত্য ও ন্যায়ের পথে এগিয়ে চলতেন সব ধরনের ভয়-ভীতি, লোভ- লালসাকে উপেক্ষা করে। তার সবচেয়ে বড় উদাহরন, আমাদের বঙ্গবন্ধু আর তার কন্যা শেখ হাসিনা। একজন শেখ হাসিনা আছেন বলেই বাংলাদেশটা নিয়ে এখনও গর্ব করার বিষয় নিহিত রয়েছে। বড় গর্ব হয় জাতির জনকের কন্যার জন্য, তার ধৈর্য দেখে বাংলাদেশ অবাক, তিনি পারেনও বটে। আজ শেখ হাসিনাকে সব নেতারা যদি সত্যি সত্যি অনুসরণ করতো তাহলে আজকের বাংলাদেশ হতো পৃথিবীর বুকে একটা যুগান্তকারী ইতিহাস।

আর এখন? দেশ-জাতি এসব শব্দ আজকের রাজনৈতিক নেতাদের ক’জনের মস্তিষ্কে বাসা বাঁধতে পেরেছে তা গবেষণার বিষয় হতে পারে। উপর থেকে শুরু করে নিচ পর্যন্ত সবখানে একই ধারা চলছে। আর নিচু পর্যায়ে ‘নেতারা’ ব্যস্ত হাতের কাছে যা পাওয়া যায়, উভয়েই নিজ নিজ আখের গোছানোর দোষে দুষ্ট। এ জন্য তাদের ছল-বল-কৌশল প্রয়োগের কোনো শেষ নেই। রাজনীতির সঙ্গে নেতা ওৎপ্রোতভাবে জড়িত। নেতা ছাড়া রাজনীতি কল্পনাই করা যায় না। যাদের হাত ধরে নীতি প্রণয়ন হয়, প্রতিষ্ঠিত হয়, নীতির প্রচার ও প্রসার। তাদের মধ্যেই আজ অনেকে নীতি-নৈতিকতা নির্বাসিত প্রায়। আজকে রাজনীতির মাঠে নীতিহীন নেতার সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। ম্যাকিয়াভেলি তার প্রিন্স গ্রন্থে বলেছিলেন, রাজাকে মিথ্যা বলতেই হবে, তাকে অভিনয় করে হলেও দেখাতে হবে যে তিনি প্রজাবৎসল। প্রজাদের শোকে তিনি মুহ্যমান, এই ধারণা রাজাকে জনপ্রিয় করবে। অর্থাৎ রাজাকে জনপ্রিয় হতে হবে। রাজা বা রাজনীতিক এর এই জনপ্রিয় হওয়ার ধারা এখনও চলছে। কিন্তু আমরা বর্তমানে যে সব নেতা দেখছি, তাদের অনেকেই জনপ্রিয় নেতা হচ্ছেন বটে, কিন্তু সেই অর্থে ভালো বা যোগ্য নেতা হচ্ছেন কি?

সততা, বুদ্ধি, প্রকাশের ক্ষমতা, বিচারক্ষমতা, প্রশ্ন করার মন, মতামত বা নানান মতামত সংগ্রহের ইচ্ছা, তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতা, ভালো স্মৃতিশক্তি, সাহস, দূরদর্শিতা, সীমাহীন উৎসাহ এবং চিন্তাভাবনায় কট্টর না হয়েও আধুনিক ও নমনীয় হওয়া— এ সবই কি ভালো নেতা হওয়ার গুণ নয়? আজকাল বার বার মনে হয়, দক্ষ, সৎ, শক্তিশালী ও সুযোগ্য নেতা সম্পর্কে আমাদের মনে যে ধারণা তৈরি হয়েছে যা বাস্তব থেকে অনেকটাই দূরে। নির্বাচনে বিপুল ভাবে জিতলেই একজন নেতা মনে করেন যে, তিনি যোগ্য, সফল এবং শক্তিশালী নেতা। কিন্তু সেটা এক মস্ত বড় ভুল। জয়লাভ করা মানেই কিন্তু ভালো নেতা হওয়া নয়। হিটলারও তার জাতীয়তাবাদী সমাজতন্ত্রী দলের পক্ষে পেয়েছিলেন এক বিপুল জনসমর্থন। জনপ্রিয় হওয়া আর যোগ্য হওয়া তাই এক কথা নয় মোটেই। জনপ্রিয় হওয়ার মোহে ধর্মান্ধদের আস্ফালনেও আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব অনেক সময় বোবা, কালা হয়ে থাকেন। তাদের সঙ্গে সন্ধি আঁতাতের পথ খোঁজেন। সমাজ থেকে প্রগতিশীলতা হারিয়ে যাচ্ছে, ধর্মমত সেখানে বড় হয়ে উঠছে। এমন পরিস্থিতিতেও আমাদের শিক্ষিত নেতাদের অনেকেই চুপ। কীসের-ই বা এই ভয়? তাদের ভয়, কালো তালিকাভুক্ত হয়ে প্রসাদ থেকে বঞ্চিত হওয়ার। সুতরাং জনপ্রিয় নেতার চেয়ে যোগ্য নেতা হওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখলে দেশ ও জাতি দুটোই এগিয়ে যাবে বলে আমি আশাবাদী।

লেখকঃ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, সদস্য সচিব আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগ, ইকবাল আহমেদ লিটন

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইকবাল আজাদ হত্যা মামলার রায় সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ ৩/৭/২৪ ইং রোজ বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ মামলার রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অশোক কুমার দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজ আলী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমত আলী এবং মোকারম আলী সোহেল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, তৎকালীন সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফেজুল আসাদ সিজার, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার, ইদ্রিস আলী, বাবু, হারিছ, বকুল, লিমন, আবদুল্লাহ, শরীফ ও মিজান। এ মামলায় অভিযুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে বাকি পাঁচজনকে উক্ত রায়ে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর আদালতে হাজির হয়ে আগের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন মামলার আসামিরা। এসময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত। ইকবাল আজাদ সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ইকবাল আজাদের স্ত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনজনের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সরাইলের অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২১শে অক্টোবর সন্ধ্যায় সরাইল থানা ভবনের কাছে খুন হন আজাদ। পরদিন তার ভাই এ কে এম জাহাঙ্গীর আজাদ বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৭ই ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হালিম, সহসভাপতি সাদেক মিয়াসহ ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক মিয়া পরে মারা যান। এবং ছয়জন আসামি পলাতক রয়েছেন।